হিমালয় খানিকটা কেঁপে উঠেছিল সেদিন ,
কেউ খোঁজ রাখে নি ।
জানতেও পারলো না কেউ
কতখানি রক্ত ছিল ধ্বংসাবশেষ জুড়ে ,
ভঙ্গুর উপত্যকা ভাসছিল যার স্রোতে,
সন্ন্যাসীরা দল বেঁধে পালাচ্ছিল
নীরব যত ধ্যান ছেড়ে ।
দিগন্তজোড়া হিংস্র জনপদের
অনেকেই তো আঁশ মিটিয়েছিল সেদিন
খুনমাখানো সে প্রপাতধারায়
ভিজিয়ে দেহ অবলীলায় ।
মহাদেবও ছিলেন ওদেরই দলে
ছুঁয়ে দিতে সাহস করেনি চাঁদও সেদিন ,
পুরোটা রাত জেগে অমাবস্যা ছাড়া
কিছুই দেখেনি বাঁচতে চাওয়া মৃত্যুগুলো ।
অনুভবে সেদিন ক্ষোভ জমেছিল,
পুনর্গঠনে উবে গেছে যা
নক্ষত্রের তিলক ছুতে না পারার
ব্যর্থতা মনে রাখেনি হিমালয় আর ।
মহাদেবের হাসিতেই যেন সব তৃপ্তি তার ।
উপত্যকা আর গড়েছে কিনা কে বা জানে !
বিশ্বাসঘাতকদের ফেলে যাওয়া বীর্যে
আবার নাকি জন্মেছে কিছু সাধক ,
হিমালয় ভোলেনি কিছুই ,
শুধু সেদিনের বরফগলা রক্তের তঞ্চন
হয়েছে মাত্র , আস্তরণে আস্তরণে
আড়াল শুধুই মাটি-পাথর ,
রয়ে যায় তবু গহ্বরমাঝে
অন্তিম যুদ্ধে আহত প্রাণ
আর মুক্তিলোভের পাপে পাপী
অনাহত যোদ্ধাদল ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


