তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন সাবেক প্রধান উপদেষদ্বা, আগামী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সল্ফ্ভাব্য প্রধান উপদেষদ্বা এবং বিরোধী দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত দু'জন প্রখ্যাত আইনজীবী শনিবার সল্পব্দ্যায় রাজধানীর এক হোটেলে বৈঠক করেছেন। আর এ নিয়ে সল্পব্দ্যা থেকে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় কৌতহৃহল। শেষ পর্যনস্ন খবর নিয়ে জানা গেল, এটি স্রেফ একটি সালিশি মামলার বৈঠক, এতে রাজনীতির লেশমাত্র নেই।
জানা গেছে, একটি জার্মান প্রতিষ্ঠান এদেশে ব্যবসা করার জন্য স্ট্থানীয় একজন অংশীদারের সঙ্গে চুক্তিবদব্দ হয়। কিন্তু পরে জার্মান প্রতিষ্ঠানটি অন্যদের সঙ্গেও ব্যবসায় অংশীদারিত্দ্ব শুরু করে বলে অভিযোগ আনে প্রথমে চুক্তিবদব্দ স্ট্থানীয় অংশীদার। এ নিয়ে সালিশ মামলায় জার্মান প্রতিষ্ঠানের আইনজীবী ব্যারিসদ্বার রফিকুল হক ও ব্যারিসদ্বার ওমর সাদাত আগামী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সল্ফ্ভাব্য প্রধান উপদেষদ্বা বিচারপতি কেএম হাসানকে সালিশকারী মনোনয়ন করেন। অপরদিকে স্ট্থানীয় অংশীদারের আইনজীবী ব্যারিসদ্বার তানিয়া আমীর সালিশকারী হিসেবে মনোনয়ন করেন প্রখ্যাত আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ব্যারিসদ্বার রোকনউদ্দিন মাহমুদকে। দুই সালিশকারী আবার সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষদ্বা বিচারপতি লতিফুর রহমানকে প্রধান সালিশকারী হিসেবে মনোনয়ন করেন। এক্ষেত্রে বিচারপতি কেএম হাসানের শর্ত ছিল তার পহৃর্ববর্তী কোনো সাবেক প্রধান বিচারপতিকে প্রধান সালিশকারী নিয়োগ করতে হবে।
এ ধরনের সালিশ বৈঠক সাধারণত সালিশকারীর বাসা বা অফিসে হয়ে থাকে। তবে আলোচ্য সালিশি মামলায় বিচারপতি কেএম হাসানের শর্ত অনুসারেই নিরপেক্ষ স্ট্থান হিসেবে গুলশানের একটি হোটেলকে সালিশ বৈঠকের স্ট্থান নির্বাচন করা হয়। আর এতেই তৈরি হয় অযাচিত সব কৌতহৃহল। গোয়েন্দা সংস্ট্থার লোকজন শুরু করে ফিসফিসানি। কানাঘুষা চলতে চলতে সংবাদপত্র অফিস আর রাজনীতিবিদদের ড্রয়িং রুম পর্যনস্ন গড়ায় বিষয়টি।
::::সমকাল :::
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



