সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের 5 সনত্দানের মধ্যে সবার বড়ো। 1975 সালের 15 আগস্টের নির্মম হত্যাযজ্ঞে পিতা-মাতা ও 3 ভাইকে হারিয়ে এখন একমাত্র ছোটবোন শেখ রেহানাকে নিয়েই তিনি বঙ্গবন্ধু পরিবারের দুঃসহ স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছেন। বাঙালির জাতীয় জীবনে মর্মানত্দিক বিয়োগানত্দক ঘটনা তথা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতিকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের কালরাতে বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে গেলেও স্বদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার টানে দেশে ফিরে আসেন তিনি।বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে 1981 সালে সর্বসম্মতিক্রমে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। ওই বছরের 17 মে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং এখনো পর্যনত্দ দলের সভানেত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।
রাজনৈতিক পরিবারের সনতান শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট ।
অনাড়ম্বর পরিবেশে দলের নেতাকমর্ীদের শুভেচ্ছা গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা জন্মদিন পালন করেন। অগণিত নেতাকমর্ী, ভক্ত-অনুরাগী ও শিশুর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করেন শেখ হাসিনা।
জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘজীবন ও বিশাল কর্মময় জীবনের সাফল্য কামনা করি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





