সংলাপকে ব্যর্থ করে দিতে চায় তৃতীয় একটি পক্ষ। স্থানীয় ও বিদেশি বিভিন্ন মহলের মদদে বিশেষ এ গোষ্ঠীটি উদ্দেশ্য হাসিলে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।এ ধরনের তৎপরতা গণতন্ত্র ও রাজনীতির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ।রাজনৈতিক ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, মাঝারি ও ছোট শক্তির কয়েকটি নতুন-পুরনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, ঢাকায় নিযুক্ত কয়েকজন কূটনীতিক, সাবেক ও বর্তমান আমলা, সেনা কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রভাবশালী একটি অংশ এবং ক্ষ মতাধর ব্যবসায়ীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী এ তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে আন্ডারগ্রাউন্ডের বিভিন্ন শক্তি ও বিদেশি কয়েকটি সংস্থার সঙ্গেও তাদের যোগাযোগ রয়েছে।অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রমতা দখলের সদূরপ্রসারী ল্য নিয়ে এগুচ্ছে ওই মহলটি। তৃতীয় কোনো পকে মতায় আনতে বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিবর্তে জাতীয় সরকারের আদলে একটি অনত্দর্বর্তীকালীন সরকার গঠন তাদের অন্যতম ল্য। সংলাপকে বানচাল করাই এখন তাদের প্রধান অ্যাসাইনমেন্ট।সংলাপের দিনণ ঘোষণা হওয়ার পরপরই ওই মহলটি তৎপরতা জোরদার করে। ওই রাতেই একাধিক ভেন্যুতে তারা পৃথক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। গভীর রাতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সাবেক এক সেনা কর্মকর্তার গুলশানের বাড়িতে। একটি নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। 14 দল ও চারদলীয় জোটেও বিশেষ ওই গোষ্ঠীর প্রতিনিধি রয়েছে।সংলাপের অগ্রগতির তথ্য তাৎণিকভাবে পাচার করে তা কিভাবে ভণ্ডুল করতে হবে সেজন্য সলাপরামর্শ দিয়ে সাহায্য করছে এসব প্রতিনিধি।তাদের যুক্তি হচ্ছে, বিএনপি-আওয়ামী লীগ সমঝোতা হয়ে গেলে জোটের রাজনীতি ও আগামী নির্বাচনে তাদের গুরুত্ব কমে যাবে। বরং পরিস্থিতি যতোই জটিল হবে রাজনীতিতে তারা ততোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন।
::::সমকাল:::
:::কিছু দেশপ্রেমিক পুলিশ:::
::::বাবা:::
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


