বলেই ফেলি, আজই বলে ফেলি। মনে মনে ভাবে অনিক। তিথীর মুখের দিকে তাকায়। বন্ধুত্বের সীমানা তো অনেকদিনই আগেই ছাড়িয়েছে ওরা, তিথী কি তা বুঝে না! নাহ, আজ থাক ... আরেকদিন বলা যাবে।
রমনা রেস্তোরায় মুখোমুখি ওরা। রমনা ওদের দুজনেরই বেশ পছন্দ। নির্জনে কথা বলার মতোন এর চে' মনোরম জায়গা ঢাকা শহরে খুব কমই আছে। ক্লাস শেষে কলাভবন থেকে রিক্সায় করে ওরা প্রায়ই এখানে চলে আসে। আজও এসেছে।
হঠাৎ করেই তিথী বলে উঠে, 'অনিক, আজ বেশীক্ষণ বসবো না তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে হবে।
-কেন? এতো তাড়া কীসের?
- আব্বুর বন্ধুর ফ্যামিলি অনেক দিন পর ইংল্যান্ড থেকে দেশে এসেছে। আজ ওদের দাওয়াত আমাদের বাসায়। আংকেল, আন্টি ও মন্টু ভাইয়া আসবে। আব্বুর খুব ইচ্ছে মন্টু ভাইয়ার সাথে আমার বিয়ে হোক। আংকেল-আন্টি দুজনেই আমাকে আমাকে খুব পছন্দ করেন। মন্টুভাইয়াও ছেলে হিসেবে খারাপ নয় ...
ঢোক গিলে অনীক। "বেশ তো , তাহলে তো এখনই তোমাকে উঠতে হয়। সন্ধ্যা তো হয়ে এলো।"
রমনার গেট থেকে তিথীর জন্য সিএনজি ঠিক করে দেয় অনিক। সিএনজি স্টার্ট নিতেই নিজেকে গালি দিয়ে উঠে অনিক, "ধুস্! আজও বলতে পারলি না!"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



