পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে সুবর্ণচর উপজেলার চর মহিউদ্দিন গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে মিলন গতবছর ২৮ মে একই এলাকার নাছির আহম্মেদের ছেলে ইটভাটার শ্রমিক মোঃ শরীফ হোসেনকে গলা কেটে হত্যা করে। এর পরের দিন নিহতের বড় ভাই আরিফ হোসেন বাদী হয়ে মিলনকে প্রধান আসামী করে চর জব্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যা কান্ডের তিন দিন পর স্থানীয় আটকপালিয়া বাজার থেকে মিলন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। মামলায় নুরুল ইসলামের অজান্তে তাকে স্বাক্ষী করা হয়। গতকাল রোববার ছিল মামলার শুনানীর তারিখ। মামলা শুনানী চলছিল জেলা দায়রা জজ সালাউদ্দিন আহাম্মদের আদালতে। আহত নুরুল ইসলাম জানান- স্বাক্ষী হিসেবে তিনি, একই এলাকার ইউসুফ, বাহার উদ্দিন ও জামাল উদ্দিন হাজিরা দিয়ে বিচারকের এজলাসের সামনে চেয়ারে বসেছিলেন। ওই সময় হত্যা মামলার আসামী মিলন কাঠগড়ায় হ্যান্ডকাপ পরিহিত অবস্থায় দাঁড়ানো ছিল। কেউ কিছু বুঝে উঠার আগেই কাঠগড়া থেকে নেমে হ্যান্ডকাপ দিয়ে দুহাতে স্বাক্ষী নুরুল ইসলামের মাথায় সজোরে আঘাত করে। এতে নুরুল ইসলামের মাথা ফেটে গিয়ে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়।
আদালত হল সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা সেখানে কি করে একজন খুনের আসামী স্বাক্ষীর উপর হামলা করে তা বোধগম্য নয়। এটা আদালতে কর্তৃব্যরত পুলিশ ও আদালত কর্তৃপক্ষের ব্যার্থতা।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



