somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের ট্রাফিক পুলিশ

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৩:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সমাজ দেশ একটা মানুষ কি দেয় না। প্রাইমারি স্কুল, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এর পর সরকারি চাকুরী তারপর অবসর ভাতা। অনেক ক্ষেত্রে বাবার চাকুরী ছেলে পেয়ে থাকে। সরকারি কর্মচারী কোটায় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে দেশ। এর ফল হিসাবে দেশ পেয়ে থাকে কি? কিছু সমাজ বিরোধী কিছু দেশের নীতি বিরোধী কিছু দেশ বিরোধী আর গোটা কয়েক নীতিবান ব্যাক্তিত্ব। তবে এমন কিছু মানুষও আছেন যাদের যদি সর্বোচ্চো সম্মানে তাদের নাম স্বর্নাক্ষরে লিখে রাখা হয় তাহলেও তাদের ঋন শোধ কারা যাবে না। তাদের মধ্যে অন্যতম হল 'ট্রাফিক পুলিশ'। কত টাকা বেতন পান তিনি। হয়তো একজন সাধারন হাবিলদারের চেয়েও কম। কিন্তু তিনি তার কাজের জন্য অবিচল রয়েছেন অটল। রোদে পুরে দাড়িয়ে থাকেন রাস্তায় এমনকি বৃষ্টিতে ভিজতেছেন অবিরত। সে দিন দখলাম একজন ট্রাফিক পুলিশ অজ্ঞান হয়ে গেছেন। হয়তো সকালে খেয়ে আসেন নি অথবা তৃষ্ণার জন্য হয়েছে। একবারও চিন্তা করে দেখি না আমরা যে কত বড় ভূমিকা তিনি পালন করে থাকেন। সাধারনত বলতে গেলে ঢাকা শহরে যদি ট্রাফিক পুলিশ এক ঘন্টার জন্য কর্ম বিরতি নেয় সমস্ত শহর বিল্ডিং এরমত দাড়িয়ে থাকবে। বন্ধ হয়ে থাকবে জিবন জীবিকা। আটকে যাবে হাজারো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পন্যবাহীত গাড়ি।হাজারো মানুষের জীবন পর্যন্ত শেষ হয়ে যেতে পারে এই ট্রাফিক জ্যামে আটকা পরে হাসপাতালে না যেতে পারা গাড়ির মধ্যে। যে মানুষটার জন্য আমার এতো কষ্ঠো থেকে রক্ষা পাচ্ছি আমরা কি তার কথা আদৌ ভেবে দেখি তার জীবন কিভাবে কাটে। তিনি কতটা কষ্ঠো করে কাজ করেন।রোদ,বৃষ্টি যাই থাকুক না কেন দৃঢ়তার বন্ধনে তাকে খুজে পাই রাস্তায়।তিনি রাস্তার পথচারিদের দিকে যে খেয়াল রাখেন সেটাও আমাদের চোখ জুড়ানোর মত। একজন গর্ভবতী মা রাস্তা পার হতে পারতেছন না একজন ট্রাফিক পুলিশ তার নিজের খাবার বন্ধ রেখে ওনাকে পার করে দিলেন।আমরাও তো কত মানুষ ছিলাম ওখানে আমরাতো করলাম না।তারা যে আমাদের জন্য কতটা মঙ্গলের কাজ করতেছেন তা আমরা অনুধাবন করতে পেরেও আমরা করি না। আমার হৃদয়ের তরফ থেকে আপনাদের সেলুট।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৩:১৯
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী কে?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১



২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোতে আকস্মিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়।প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×