সমাজ দেশ একটা মানুষ কি দেয় না। প্রাইমারি স্কুল, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এর পর সরকারি চাকুরী তারপর অবসর ভাতা। অনেক ক্ষেত্রে বাবার চাকুরী ছেলে পেয়ে থাকে। সরকারি কর্মচারী কোটায় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে দেশ। এর ফল হিসাবে দেশ পেয়ে থাকে কি? কিছু সমাজ বিরোধী কিছু দেশের নীতি বিরোধী কিছু দেশ বিরোধী আর গোটা কয়েক নীতিবান ব্যাক্তিত্ব। তবে এমন কিছু মানুষও আছেন যাদের যদি সর্বোচ্চো সম্মানে তাদের নাম স্বর্নাক্ষরে লিখে রাখা হয় তাহলেও তাদের ঋন শোধ কারা যাবে না। তাদের মধ্যে অন্যতম হল 'ট্রাফিক পুলিশ'। কত টাকা বেতন পান তিনি। হয়তো একজন সাধারন হাবিলদারের চেয়েও কম। কিন্তু তিনি তার কাজের জন্য অবিচল রয়েছেন অটল। রোদে পুরে দাড়িয়ে থাকেন রাস্তায় এমনকি বৃষ্টিতে ভিজতেছেন অবিরত। সে দিন দখলাম একজন ট্রাফিক পুলিশ অজ্ঞান হয়ে গেছেন। হয়তো সকালে খেয়ে আসেন নি অথবা তৃষ্ণার জন্য হয়েছে। একবারও চিন্তা করে দেখি না আমরা যে কত বড় ভূমিকা তিনি পালন করে থাকেন। সাধারনত বলতে গেলে ঢাকা শহরে যদি ট্রাফিক পুলিশ এক ঘন্টার জন্য কর্ম বিরতি নেয় সমস্ত শহর বিল্ডিং এরমত দাড়িয়ে থাকবে। বন্ধ হয়ে থাকবে জিবন জীবিকা। আটকে যাবে হাজারো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পন্যবাহীত গাড়ি।হাজারো মানুষের জীবন পর্যন্ত শেষ হয়ে যেতে পারে এই ট্রাফিক জ্যামে আটকা পরে হাসপাতালে না যেতে পারা গাড়ির মধ্যে। যে মানুষটার জন্য আমার এতো কষ্ঠো থেকে রক্ষা পাচ্ছি আমরা কি তার কথা আদৌ ভেবে দেখি তার জীবন কিভাবে কাটে। তিনি কতটা কষ্ঠো করে কাজ করেন।রোদ,বৃষ্টি যাই থাকুক না কেন দৃঢ়তার বন্ধনে তাকে খুজে পাই রাস্তায়।তিনি রাস্তার পথচারিদের দিকে যে খেয়াল রাখেন সেটাও আমাদের চোখ জুড়ানোর মত। একজন গর্ভবতী মা রাস্তা পার হতে পারতেছন না একজন ট্রাফিক পুলিশ তার নিজের খাবার বন্ধ রেখে ওনাকে পার করে দিলেন।আমরাও তো কত মানুষ ছিলাম ওখানে আমরাতো করলাম না।তারা যে আমাদের জন্য কতটা মঙ্গলের কাজ করতেছেন তা আমরা অনুধাবন করতে পেরেও আমরা করি না। আমার হৃদয়ের তরফ থেকে আপনাদের সেলুট।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৩:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




