somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অগ্রিম ম্যাডেলের কারন

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিসমিল্লাহ্ বলে ডান পা দিয়ে বাসে উঠে পড়লাম। যথারীতি মহিলা ও প্রতিবন্ধিদের জন্য নয়টি সিট খালি রেখে তার পরের সিটে বসে পরলাম। কিছু সময়ের মধ্যেই এক সুন্দরী রমনী বাসে উঠল। আমি তার দিকে একবার তাকিয়ে চোখ নামিয়ে নিলাম। খেয়াল করলাম রমনী পুরো বাসটাকে পরখ করে দেখছে। বাস বলতে গেলে পুরাই খালি বিশেষ করে মহিলা সিট গুলো। রমনীর মহিলা সিটেই বসার কথা। কিন্তু সে আমাকে অবাক করে হঠাৎ এসে বলল, ভাইয়া একটু সরে বসবেন? আমার জায়গায় অন্য কেউ হলে হয়তো ভাব নিয়ে বলত, মহিলা সিট খালি আছে সেখানে বসছেন না কেন? কিন্তু আমি তা করলাম না। কেন করলাম না তা আপনারা জানেন। আমি একটু বেশিই ভদ্র তাই। নির্ধারিত সময়েও বেশি যাত্রী না হওয়ায় মলিন মুখেই ড্রাইভার বাস স্টাট করল।
আমি সুন্দরী রমনীর পাসে গা ঘেসাঘেসি করে বসে আছি। কিছু করার নাই, লোকাল বাসের সিটগুলি খুবই ছোট ছোট। রাস্তার সবাই দেখছি প্রথমে রমনীর দেকে তারপরে কেন যেন আমার দিকে তাকায়ে মুখ কালো করে ফেলছে। আমি সব কিছুতে বেশ মজা পাচ্ছি। চিন্তা করলাম আর চুপ করে থাকা নয়, এখন কথা বলা উচিৎ। কিন্তু কি বলব কিছু খুজে পাচ্ছি না। আমার আবার পুরোনো ডায়লোগ বলতে ইচ্ছে করে না, নতুন ডায়লোগ বলার ইচ্ছা।
সামনে স্টপেই পুরো বাসটা কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে গেল। কোন সিট খালি নেই, কয়েকজন দাড়িয়ে আছে।
এমন সময় আমাকে চমকে দিয়ে রমনী জিঞ্জেস করল, কোথায় থাকেন??
আমি বললাম মোঃপুরে। পরক্ষণেই সে বলে উঠল, আপনার আচরণ খুব ভাল। আজকালকার ছেলেরা তো মেয়েদের সাথে কিভাবে আচরন করতে হয় সেটাই জানে না।
আমি ভাবলাম, খাইছে কিছু করার আগেই এত প্রশংসা! এর একটাই কারন হইতে পারে, কারন সবাই জানেন। আমার উপরে বেসামাল ক্রাশ খাইছে।
তার পরে যা হইল তা আর আমার বলতে ইচ্ছে করছে না, তার পরেও বলি। তার পরের স্টপে একটা সুদর্শন পাংকু ছেলে উঠল। সে ঠিক আমার পাসে এসে দাড়াল। ছেলেটি বলল হায়! রমনী বলল হ্যালো!
রমনী আমাকে উদ্দেশ্য করে বলল, ভাইয়া আমার বয়ফ্রেন্ড চলে এসেছে, আপনি যদি অন্য কোথাও বসেন আমরা একটু এক সাথে বসতে পারি। আমি একবার রমনীর দিকে আর একবার পাংকুর দিকে তাকিয়েই চট করে উঠে পড়লাম। এতক্ষণে বুঝতে পারলাম মেয়েদের সাথে ভাল আচরনের অগ্রিম মেডেল সে আমাকে কেন দিয়েছিল । আর এটাও বুঝতে পারলাম যে পুরো বাস খালি থাকার পরেও সে আমার পাসেই কেন বসেছিল। কারন আপনারা জানেন, আমাকে উঠিয়ে দেওয়া সবচেয়ে সহজ ছিল।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:৪৯
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=শরত তুই যাস নে ! =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৩



ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।

বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বে ঋণ খেলাপিতে বাংলাদেশ ১ নম্বর এবং দেশে ঋণ খেলাপিতে শীর্ষ ২০ জনের ১৯ জনই ওনাদের!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



শাস্ত্রীয় কথায় না গিয়ে সোজা কথায় কেউ ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলে তাকে ঋণ খেলাপি বলা হয়। আপনি জানলে অবাক হবেন যে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির ১৯ জনই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কি ডার্ক জাস্টিসকে ফলো করছেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১০



ছোটবেলায় দেখা একটি টিভি সিরিয়াল তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিলো। একজন বিচারক যিনি দিনের বেলায় কোর্ট রুমে অপরাধের বিচার করতেন, আর, রাতেরবেলা আইনের ফাঁক -ফোকর গলে বেরিয়ে যাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×