- কিরে দেখছস,মফিজের পিকে কত্তগুলা লাইক আসে
- হ রে,আলতু ফালতু পিক দিয়া কত্তগুলা লাইক পায়।
-হ,হালায় সারাদিন অনলাইন থাকে আর সবাইরে কয় লাইক দিতে।
- হ, একটা স্ট্যাটাস দিলেও লাইক চায়। সেদিন আমারে কয়, দোস্ত নতুন স্ট্যাটাস দিসি লাইক দাও।
- কিন্তু হালায় অত লাইক পায় কেমনে?
-অটোলাইক ব্যবহার করে মনেহয়।
-অটোলাইক কি?
- অটোলাইক একটা সফটওয়্যার, হেন আইডি দিলে অনেক লাইক পাওয়া যায়।
- ও! আচ্ছা মফিজের একাউন্টে কয়টা ফ্রেন্ড?
- ফেসবুকে ৫০০০ ফ্রেণ্ড অর।
তর কত্তগুলা ফ্রেন্ড?
- আমার এই ধর ৪৫০ হইব। তর কতলা?
-আমার ২০০ হইব।
- তর তো বেটা তাও ৩০-৪০ লাইক আইয়া পরে।
- আর তোর তো ১০০ লাইক হয়।
কণ্ডাক্টর - ঐ,খিলখেত আইসে।
ঐ দুজন ছাত্র নেমে গেল। এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে ওদের ফেসবুক আলাপন শুনছিল রাসেল। ওদের দেখে নবম শ্রেণীর ছাত্র মনে হয়েছিল রাসেলের কিন্তু ওদের আইডি কার্ড দেখে নিশ্চিত হল যে ওরা অষ্টম শ্রেণীর । নিজের অনুমানের ওপর নারাজ হয়ে সে অতীত চিন্তায় বিমগ্ন হল যে সে যখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ত,তখনও ফেসবুক চিনত না। ২০১০ এর শেষের দিকে JSC এর পর সে ফেসবুক ব্যবহার করলেও কারো সাথে এবিষয়ে তেমন আলোচনা করেনি। আর এখন রাস্তায় বের হলেই ফেসবুক আর ফেসবুক। বাংলালিংক এর ভাষ্যমতে দিন এখন পাল্টাইছে এবং এই পরিবর্তনের জোয়ারে আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ এর আরও অবনতি ঘটছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



