আমাদের এখন থেকে এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার মাঝেই বাস করতে হবে!
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর এই অসহায়ত্ব সকলকেই আর্দ্র করবে সন্দেহ কি। কিন্তু আজকের এই অগ্নিগর্ভ পৃথিবী কারা সৃষ্টি করল? সেটা কি আমরা মনে রেখেছি?
জগতের একটি মানুষকেও যেন অস্বাভাবিক মৃত্যুকে বরন করতে না হয়, এ কামনা আমাদের সবার। আর এভাবে শ'য়ে শ'য়ে নিরাপদ মানুষের মৃত্যুকে মেনে নেয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। তথাপিও এটাই বাস্তবতা যে অকাতরে নিরিহ মানুষ মারা পরছে। একজন মানুষ জানতেও পারছে না তাকে কেন হত্যা করা হল। কি তার অপরাধ।
এই ফ্রাংঙ্কেন ষ্টাইনের দানবকে কেন তৈরি করা হল সে প্রশ্নও উঠবে। সেইসাথে যারা তৈরি করল তাদের বিচারের দাবীও উঠবে। সেটা যেদিনই হোক না কেন। তবে সবার আগে প্রয়োজন এই দানবকে দমন। বিশ্ব মানবতা রক্ষার দাবীতেই এদের দমনে এক হওয়া প্রয়োজন। নির্মোহ হওয়া প্রয়োজন, নিঃস্বার্থ হওয়া প্রয়োজন।
প্রশ্ন হল, এত কিছুর পরেও কি বিশ্ব শক্তিগুলো সন্ত্রাসবাদকে এক নাম্বার শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে এর দমনে এগিয়ে আসবেন। নাকি জাতি-ধর্ম বিভেদে একে অন্যের বিরুদ্ধে ব্যাবহার করেই যাবেন?
আজ বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে যে প্রশ্নটি উঠে এসেছে তা হল, কোনটা আগে বিশ্ব মানবতা নাকি জাতীয়তাবাদ,, ধর্মীয় বিভেদ। এর উত্তর না মেলা পর্যন্ত এই দানবকে দমনের কোন উপায় কি আদৌ আছে? মনে হয় না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

