somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজ আমি সেই নারীকুলের মুণ্ডু পাত করিতেই বসিয়াছি।

২০ শে জুলাই, ২০১৬ সকাল ১০:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সমাজে কিছু নারী আছেন তাহাদের কাছে তাহাদের স্বামী খারাপ, তাহাদের শাশুড়ি খারাপ, দেবর-ননদ খারাপ। খারাপ বলতে যে সে খারাপ নয় ভয়ংকর খারাপ!
তারা চোর-জোচ্চোর, অসচ্চরিত্র, অভদ্র, ঠক, প্রতারক এক কথায় যতটা নেতিবাচক বিশেষণ দেয়া যায় তার সবটাই তাহাদের শ্বশুরকুলের জন্য প্রযোজ্য!
সময় সুযোগ পেলেই তাহারা বন্ধু গনের কাছে শ্বশুরকুলের গুষ্ঠি উদ্ধারে ব্রতী হন। আর বান্ধবী গনও মহা উৎসাহ নিয়ে সেই কুৎসা শ্রবণ করিয়া যার পর নাই আনন্দ লাভ করিয়া থাকেন। মাঝে মাঝে নিজেদের জীবনের সাথেও তাহা মিলাইয়া দেখিয়া আত্মপ্রসাদ লাভ করিয়া থাকেন এবং তালে তাল মিলিয়ে থাকেন। সে আসরে ফেরেশতাকুলের প্রবেশ নিষেধ তা বলাই বাহুল্য কেননা ঐ সকল নারী গন এমন সব অশ্রাব্য ভাষায় তাদের স্বামী ও শ্বশুরকুলের আত্মীয়স্বজনদের গাল মন্দ করিয়া থাকেন যে সেই একই ভাষায় যদি তাহাদের পুরুষ প্রতিদ্বন্দ্বীরাও শুরু করিতেন তাহা হইলে সেখানে নারকীয় পরিবেশ সৃষ্টি হইত। আর তা যে একেবারেই ঘটে না তাও নয়, কম বেশি সেই দৃশ্যও চোখে পড়ে। যাহার প্রত্যক্ষ ভিকটিম স্বামীকুল ছাড়াও ঐ নারীদের সন্তানেরা। যদিও তাহা তাহাদের ধর্তব্যের মধ্যে পরিগণিত হয় না।
পাঠক আপনি জেনে আরো আশ্চর্য হবেন এই সকল নারীকুলের কথার বিষ বাস্পেই শুধু তাহাদের স্বামীরা জর্জরিত হন না। বেশিরভাগ সময়ে তারা শারীরিক নির্যাতনেরও সম্মুক্ষিন হন!
এ সব শুনিয়া আপনি যদি জানিতে চাহেন যে, ঐ সকল নারী কাহার অন্ন গলাধঃকরণ করিয়া বাঁচেন কিংবা কাহাদের আশ্রয়ে তাহারা থাকেন। আপনাকে অবাক করিয়া দিয়া তাহারা নির্লজ্জের মত বলিবেন, কেন স্বামীর অন্নে! স্বামীর আশ্রয়ে!

তাহাদের বিস্মিত মুখ দেখিয়া আপনি নিশ্চয় আর এ প্রশ্ন করিবার সাহস পাইবেন না যে, যাহারটা খাইয়া বাঁচেন, যাহার অর্থে পথ্য গ্রহণ করেন এমনকি যাহার আশ্রয়ে থাকেন তাহার ও তাহার প্রিয়জনদের নিয়ে এমন কুৎসা রটাতে আপনাদের বিবেকে কি একটুও বাধিল না?

কি করিয়া সাহস পাইবেন এই সকল নারী ও তাহাদের অভিভাবক গন এই সাব্যস্ত করিয়া লইয়াছেণ যে, একবার যে পুরুষ তাহাদিগকে বিবাহ করিয়া লইবে তাহাদের চামড়া ছাড়াইয়া ডুগডুগি বাজাইলেও ঐ অভাজনদের আর কিছুই করিবার থাকিবে না। কেননা বিবাহের নামে পুরুষটিকে তাহারা জন্মান্তরের জন্যে দখল করিয়া লইয়াছেন। এখানে অভিভাবক গনকে টানিয়া আনার কারণ দুইটি।
প্রথমত, এই কুশিক্ষার দায় তাহারা কিছুতেই এড়াতে পারেন না। দ্বিতীয়ত, আমি এমনও বলিতে শুনিয়াছি । উক্ত নারীকুলের অভিভাবক গন তাহাদের কন্যাকে নিবৃত্ত না করিয়া উলটো তাহার স্বামীকে বলেন নিশ্চয়ই তোমার কোন দোষ রহিয়াছে না হলে আমাদের এত ভাল মেয়েটা এমন করিবে কেন। এমন বলিবেই বা কেন।
অবিভাবকগন এই কথা বলিবার ধৃষ্টতা দেখান কারণ তাহারা জানেন মধ্যবিত্তের সামাজিক মর্যাদার ভয় বড়ই প্রখর। গৃহাভ্যন্তরে যতই নির্যাতিত হউক না কেন বাহিরে তাহাদের মহা সুখী বলিয়াই প্রচার করিতে হইবে।
অতএব সমাজ সংসারের চাপে পরিয়া, লোক লজ্জার ভয়ে মরিয়া, আর সন্তান সন্ততির ভবিষ্যৎ চিন্তা করিয়া আলোচ্য পুরুষগণের যতই ত্রাহি অবস্থা হোক না কেন তাহাদের পালাবার জো নাই।

এই নারী গন যে শুধু গৃহাভ্যন্তরেই এই কর্ম করিয়া বেড়ান তাও নহে বরং স্বামী বেচারাকে অন্যদের সম্মুখে অর্থাৎ বাহিরে এমনকি স্বামীর পরিচিত বা বন্ধু মহলে হেনস্থা করিতে পারিলেই তাহারা চরম শান্তি লাভ করিয়া থাকেন। আর সেটা না করিতে পারিলেই বরং নিজেদের পরাজয় বলিয়া গণ্য করেন।

স্বামী বেচারা বাহিরে যে কম্ম করিয়াই অর্থ রোজগার করুক না কেন সেটা তাদের কাছে স্বামীর দায়বদ্ধতা এবং গৃহ কর্মের তুলনায় একেবারেই নগণ্য কর্ম বলিয়াই বিবেচিত হইয়া থাকে। ফলে স্বামী বেচারার গৃহে ফিরিয়া স্বস্তির নিঃশ্বাস লইবার জো'টি আর থাকিবে না।


পাঠককুল হয়ত ভাবিয়া বসিয়াছেন যে আমি বস্তিবাসীদের একটি খণ্ড চিত্র তুলিয়া ধরিয়াছি , তাহা কিন্তু নয়। যদিও এটি সমাজের খণ্ড চিত্র তবে এই চিত্রের কুশীলব যে কেবল বস্তিবাসীরাই তাহা ঠিক নয়।
বস্তিবাসীদের চিত্রে দুই পক্ষেরই মারামারি, গালাগালিটা চোখে পড়ে, যেখানে যুদ্ধটা চলে সমানে সমানে।
আমার আলোচ্য চিত্রটি মূলত নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্তের তথাকথিত শিক্ষিত, উচ্চশিক্ষিত পরিবারের নারীদের খণ্ড চিত্র। লোকলজ্জার ভয়ে যা সাধারণত আলোচনার বাহিরেই থাকে। ইদানীংকালের আমাদের সমাজের অস্থিরতা এবং নানা বিশৃঙ্খলতার জন্য এই পারিবারিক কলহও কম দায়ী নয়।

ঐ সকল নারীকুলের তুলনা করিতে গেলে আমার কাছে যে উদাহরণটি সামনে চলিয়া আসে সেটি হল ফেরাউনের উদাহরণ, কথিত আছে ফেরাউনের কাছে নাকি একবার এক বিকট দর্শন মানুষ(মূলত জিবরীল আঃ) এসে আরজ করিলেন, হে বাদশাহ নামদার আপনি একটি বিচার করে দিন, যে ব্যক্তি তার মনিবের সাথে বেইমানি করবে তার শাস্তি কি হবে? তখন ফেরাউন নাকি বলেছিল,"তাকে নীল নদে বা পানিতে ডুবিয়ে মারা উচিত"।
উল্লেখ্য যে, ফেরাউন নীল নদে ডুবেই মারা গিয়েছিল।

যদিও স্বামী কখনোই স্ত্রীর মনিব বলে বিবেচিত হতে পারে না তথাপিও স্বামীর কষ্টার্জিত আয়েই যে সব স্ত্রীদের জীবন যাপন করিতে হয়। তাহাদের কাছ থেকে স্বামীকুল অন্তত কিছুটা কৃতজ্ঞতা আশা করিতেই পারে। সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পরিবর্তে যে স্ত্রী কুল এহেন আচরণ করিয়া থাকেন মহান আল্লাহ নিশ্চয়ই তাহাদের উচিৎ বিচার করিবেন কিন্তু তাহা তো অনন্ত জীবনের কথা। এই জীবনে এহেন নারীকুলের জন্য সমাজে যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় তাহাও তো কম যন্ত্রণার নহে।

এতক্ষণ ধরে এই লেখা পড়িয়া যাহারা আমার উপরে প্রচণ্ড রেগে গেছেন তাহাদের কাছে বিনীত অনুরোধ। বুকে হাত রেখে বলুন তো আমি কি ভিন গ্রহের কোন মানবীদের নিয়ে বলছি? আজ আমি যে নারীকুলের মুণ্ডু পাত করিতে বসিয়াছি। আপনার আশেপাশে কি সেই নারীকুলের সন্ধান আপনি এখনো লাভ করিতে পারেন নাই?

আমাদের বিশিষ্ট নারীবাদী লেখক গন এতক্ষণে দারুণ চটেছেন সেও বলার অপেক্ষা রাখে না। তাহাদের বলছি নারীর অশ্রু মোচনে আপনাদের ক্ষুরধার লেখনী তো আছেই। আমি না হয় কতক যন্ত্রণা বিদ্ধ পুরুষের পক্ষ হয়েই লিখলাম।
আমাদের সমাজে নারীবাদী লেখকের অভাব না থাকিলেও পুরুষ বাদী লেখক দেখা যায় না মোটেও। তার মানে এই নয় যে এ দেশে পুরুষ নির্যাতন হয় না। বরং সারা বিশ্বের মত এ দেশেও নির্যাতিত পুরুষের সংখ্যা উদ্বেগজনক। শেষ পর্যন্ত যার প্রভাব গিয়ে পরে সামাজিক অস্থিরতার ক্ষেত্রে।

যাহারা প্রাপ্তিকে নিজ অধিকার বলিয়া গণ্য করেন, কৃতজ্ঞতার ধার ধারেন না। পক্ষান্তরে সামান্য অপ্রাপ্তিকেই ভয়ঙ্কর ক্ষতি বলিয়া ধরিয়া লন। তাহাদের লইয়া জীবন যাপন সত্যি বড় ভয়ংকর অভিশাপ বৈ আর কিছু নয়।
ইহারা পরিবারের জন্য ক্ষতিকর, সমাজের জন্য ক্ষতিকর এমনকি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দারুণ ক্ষতিকর। ইহাদের হাত থেকে পরিবার সমাজ তথা অনাগত ভবিষ্যৎ রক্ষা পাক ইহাই সর্বান্তকরণে কাম্য।

পাঠককুলের সুবিদার্থে ৭এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মানব জমিনে প্রকাশিত এমন দুটি কেস স্ট্যাডি সংযুক্ত করে দেয়া হলঃ

কেস স্টাডি-১
২০০৫ সালে পারিবারিকভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। ঘরে ছয় বছরের কন্যা শিশু। পেশায় আইনজীবী স্বামীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর অসহনশীলতা, পরিবারের সদস্যদের প্রতি অশোভনীয় ও বৈরী আচরণ, যখন তখন বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়া, নিজের ইচ্ছামতো বাসায় ফিরে আসা এসব কারণে দাম্পত্য জীবন দুঃসহ হয়ে উঠে। শুধু তাই নয়, স্ত্রী ও তার দুই ভাই এসে একদিন তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে তার চিৎকারে অন্য ফ্ল্যাটের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে স্ত্রীর বাড়িতে শালিসের মাধ্যমে সুরাহা করতে চাইলে ব্যর্থ হন। সর্বশেষ পরিবারের সকল সদস্যের উপস্থিতিতে কুমিল্লার নিজ বাড়িতে পুনরায় শালিসের মাধ্যমে সুরাহার চেষ্টা করেন। উপস্থিত মজলিশে নিজ নিজ দোষ স্বীকারপূর্বক নিজেদের সংশোধনের জন্য তিন মাস সময় দেয়া হয়। পারিবারিক শালিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্ত্রীকে নিয়ে শান্তিনগরের বাসায় ফিরেন তিনি। কিন্তু ঢাকায় ফেরার পরও পরিস্থিতি বদলায় না। স্ত্রী এবং স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা তাকে নানা হুমকি দিতে থাকেন। এ অবস্থায় জীবনের শঙ্কা ও নিরাপত্তাহীনতার কারনে ২৩শে আগস্ট ২০১৪ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি। এক পর্যায়ে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্ত্রীকে তালাকের নোটিস দেন তিনি। এরইমধ্যে কন্যা এবং স্বর্ণালঙ্কারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় স্ত্রী। স্বামী ফোনে যোগাযোগ করলে তাকে মেয়ের ক্ষতি করার হুমকি দেয়া হয়। বিভিন্নভাবে পরিচিতদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন তার স্ত্রী মেয়েকে নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি কন্যা শিশুর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এবং তাকে ফিরে পেতে আইনি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার ধারস্থ হয়েছেন।

কেস স্টাডি-২
চার বছর হয়েছে আরিফ (আসল নাম নয়) ভালবেসে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছেন স্মৃতিকে (আসল নাম নয়)। বিয়ের পর থেকে স্মৃতিকে নিয়ে নিজের পরিবারের সঙ্গে লালবাগে থাকতেন তিনি। আরিফের অভিযোগ বিয়ের এক সপ্তাহ পর থেকেই স্মৃতির ব্যবহার খুব খরাপ হয়ে যায়। কথায় কথায় জিনিসপত্র ছুঁড়ে ফেলে দিতেন। শুধু তাই নয় খারাপ ভাষায় কথা বলতেন আরিফের অসুস্থ মায়ের সঙ্গে। স্ত্রীর অর্থনৈতিক চাহিদা পূরণ করতে রীতিমতো হিমশিম খেত আরিফ। বেশ কয়েকবার ঝগড়া করে পিতার বাসায় চলে যায় স্মৃতি। বায়না ধরেছিলেন আলাদা থাকবেন আরিফের সঙ্গে। বিয়ের এক বছর পর তাদের সন্তান হয়। এরই মধ্যে আরিফ সৌদি আরব চলে যান। তখন তার স্ত্রী পিতার বাসায় ছিলেন। কিন্তু একবছর পর কাগজপত্রের ঝামেলার জন্য ফিরে আসতে হয় আরিফকে। তখন টাকার জন্য প্রতিনিয়ত ঝগড়া করতেন তার স্ত্রী। মাঝেমধ্যে খামছিও মারতেন ঝগড়ার একপর্যায়ে। তবে নারী নির্যাতনের মামলার ভয়ে কখনও স্ত্রীর গায়ে হাত তোলেননি আরিফ। স্ত্রীকে সামাল দিতে না পেরে শ্বশুর বাড়িতে ছিলেন ছয়মাস। কিন্তু স্ত্রী অপমান করে বের করে দিলে বন্ধুর সঙ্গে মেসে উঠেন তিনি। চকবাজারের একটি পাইকারি দোকানে চাকরি করতেন আরিফ। স্ত্রীর সঙ্গে একসঙ্গে না থকলেও নিজের সন্তানের জন্য সাধ্যমতো টাকা পাঠাতেন তিনি। আরিফ তার স্ত্রীকে বুঝিয়ে বাসায় নিয়ে আসেন। বাসায় ফিরে ঝগড়া করে নিজেকে আঘাত করে থানায় আরিফ ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা করেন। ২৫ দিন জেলে থাকার পর জামিনে বের হয়ে আরিফ তার মায়ের সঙ্গে এসেছেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সহায়তার জন্য।

[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০১৬ সকাল ১১:১৩
১০টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আন্দোলনের সময় বেকারদের দরকার ছিল, এখন কি আর নেই?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:২০


সারজিস আলমকে দেখে একসময় মনে হয়েছিল, বাংলাদেশের রাজনীতিতে হয়তো সত্যিই নতুন কিছু আসতে যাচ্ছে। কোটা আন্দোলনের আইকনিক মুখ, গর্বিত ঢাবিয়ান, এনসিপির বড় নেতা। শেখ হাসিনার আমলে সকাল বিকাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হবে?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৩২

বাংলাদেশ কি মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হবে?

প্রশ্নটি এখন আর নিছক কল্পনা নয়।
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান Makkah Joint Defence Agreement-এ স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা জানেন না তাদের জন্য! কফি এনিমা (Coffee Enema)!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

কফি এনিমা হলো মলদ্বার দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি প্রবেশ করিয়ে পেট পরিষ্কার করার একটি বিকল্প পদ্ধতি। নিচে এটি শরীরে দেওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলোঃ

প্রয়োজনীয় উপকরণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিলাদুন্নবী: ভালোবাসার নবী, মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮


মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন বা মিলাদুন্নবী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মরণদিন নয়; এটি মানবতার জন্য এক মহান আদর্শের কথা স্মরণ করার উপলক্ষ। তাঁর আগমন ছিল এমন এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা কোথায়?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০

মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা কোথায়?
====================
একটি ১১ বছরের শিশু যার বয়স খেলাধুলা, পড়াশোনা আর স্বপ্ন দেখার। সেই শিশুকে যদি যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তার গর্ভে একটি সন্তান জন্ম নেয়, তাহলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×