ভোর ছয়টা বেয়াল্লিশ। আমি বিন্তী র পাশে বসে আছি। জরে গা পুরে যাচ্ছে ওর। সারারাত পাগলের মতো কথা বলেছে।
_ শুভ??
_ কেমন লাগে এখন?? কিছু খাবে??
_ হুম খাবো।
_ কি??
_ তোমাকে।
_ আচ্ছা আগে ভালো হয়ে নাও। তারপর নাহয় দেখা যাবে।
_ কাছে আসো।
_ কাছেই তো আছি।
_ আরো কাছে। হাতটা ধরো।
আমি হাতটা ধরে একটা আলতো চুমো খেলাম। হাতটা অসম্ভব ঠান্ডা।
_ কি ভয় করছে শুভ সাহেব??
_ কথা বলো না তো। ঘুমাতে চেষ্টা করো।
_ একটু ধরো তো। উঠতে ইচ্ছে করছে।
_ হুম।
_ তোমার শরীরের সেই কড়া ঘ্রাণ পাচ্ছি শুভ।
_ এমন করে বলো না তো। কলিজায় টান লাগে।
_ তোমার বুকে একটু মাথা রাখি??
_ আচ্ছা রাখো।
_ তুমি এতো ভালো কেন শুভ?? এতো ভালো হতে নেই।
_ তুমি চুপ থাকবা?? ঘুমানোর চেষ্টা করো।
_ জানো শুভ যাদের কে হারানোর ভয় থাকে না, একসময় তারাই হারিয়ে যায়।
_ বিন্তী ঘুমাও তো। তোমার চোখ ছোট হয়ে আসছে।
_ হুম ভালোবাসি তোমাকে।
বিন্তী চলে গেছে প্রায় তিন বছর। প্রায় সকালে ঘুম ভাঙে। খালি বালিশ টা নিথর পড়ে থাকে। আমি জানি তুমি এখনো আছো। তুমি থাকবে মনস্পর্শে। আধঘুমে তোমার স্পর্শ পাই ঠিক যেন প্রথম স্পর্শ।।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



