রাতে করে এক ভাই কে দেখতাম, আমি থাকতাম টেকনিক্যাল এর স্টাফ কোয়ার্টার এ, দেয়ালের ঐপাসে একটা বাসা। থাকতেন এক বড় ভাই, কোনদিন সামনে থেকে দেখি নাই তারে, রাতে করে দেখতাম সারা রাত যেগে গান শূনতেন উনি। মাঝে বারান্দায় এসে সিগ্রেট খেতেন, ছাদে যেয়ে গিটার বাজাইতেন। আমার কেন জানি তার মত হতে ইচ্ছে হতো।
একবার ফেসবুকে পরিচয় হলো এক ছেলের সাথে, আইডি Boy Da Careless , কোন একটা ব্যাণ্ডে মেটাল গিটার বাজাইতেন উনি, লোক টার পার্সোনালিটি কেন জানি ভালো লাগতো আমার, আর লোক টার একটা সুইট প্রেমিকা ছিলো, তার সাথেও কথা হতো আমার। আইডি টার বানান মনে নাই, মিস্টিক নিম্ফ বা এরকম কিছু একটা। কোন একটা আমার অজানা কারনে তারা আলাদা হয়ে গেলেন, আপু পরেও দেখতাম সেলফি আপলোড করতেছেন, ছেলেটা তখন ও গিটার বাজাইতো। একদিন ভাই টার সাথে কথা হইলো, তার একটা কথা মনে আছে, "ভাই রে পুরুষ তো, কান্তে পারি না, আমার হয়ে গিটার টা কান্দে"।
মুলাটোল থানার এখান টায় থাকি বছর খানেক, একটা ভাইয়ার সাথে মাঝে মাঝে রাতে করে সিগ্রেট টানতে বের হলে দেখা হয়ে যায়,কথা হয়নি কোনদিন উনি সেইম কাজ করতেছেন , চুল ঘার পর্যন্ত, লম্বাটে।
পল দা, ড্রাম বাজান রংপুরের একটা ব্যাণ্ড এ, পরিচয় মিগে, মেয়েটা আমার ও বন্ধু ছিলো, কথা হতো মাঝে মাঝে। একসাথে দুটারে কত ডাল ডালে ঘুরে বেরাতে দেখছি নেটেই। আমার মনে আছে , ভুলি নাই। সে দুজনের ছারাছারি হয়ে গেছে, কারন আমার জানা নাই, বাট মনে হয় একটা লাইন ই মানাবে " যেই মোহের বন্যায়, ভেষে যাবায় ধন্য হলে, তাতে পারিনি ভাসতে ......... অস্তিত্ব ভুলে।"
যাউক গাহ, সেদিন ও মেয়েটার জন্মদিনে পল দা কে নিজের ওয়ালে উইস বানী লিখতে দেখলাম, ছেলেগুলান এমন ই, কান্দে কম, দেখায় কম, জ্বলে ভিত্রে। আর্বোভাইরাসের "হারিয়ে যাও" শুনলেই পল দার বোকাসোকা গোলগাল মুখ টা দেখতে পাই কেন জানি, কারন জানা নাই আমার।
এগুলা আমার দেখা লিভিং লিজেন্ড, আমার নিজের লাইফেও প্যারা কম নাই,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




