অনেকেই হয়ত ভেবে থাকতে পারেন যে আমরা তো নিয়মিত ডিম, মাছ, মাংস খাই, দুধের ঘাটতি কি এসব দিয়ে পূরণ হবে না। উত্তর হল না। কারন দুধের মধ্যে যে বিরল পুষ্টি উপাদান যেমন কেজিন, ল্যাকটোজ বিভিন্ন মিনারেল আছে তা আর অন্য কোন খাদ্য উপাদানে নেই। আর এই সকল পুষ্টি উপাদান আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেহের গঠনে কাজ করে। বিজ্ঞানীদের গবেষণায় পাওয়া অবাক হওয়ার তথ্য হল এই যে দুধ শুধু আমাদের পুষ্টি চাহিদাই পূরণ করে না, এটি ক্ষতিকর বিভিন্ন জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে আমাদের সুরক্ষা প্রদান করে। আর তাই যদি আমরা দেশ হিসেবে পুষ্টি সূচকে অগ্রগতি চাই তাহলে অবশ্যই আমাদের পুষ্টি তালিকায় পরিমিত দুধের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
আমাদের দেশে দুধের অপ্রতুল দুধ উৎপাদনের প্রধান কারনগুলো হল
~উন্নত জাতের সংকর গরুর স্বল্পতা (মাত্র দুই লক্ষ)
~ভূমি স্বল্পতা (৭০ মিলিয়ন টন উন্নত ঘাসের চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন মাত্র ২৩ মিলিয়ন টন )
~দুধ উৎপাদনে গো-পুষ্টির অভাব।
~ উন্নত জাতের দেশীয় প্রজাতির গাভি অভাব।
~ আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের অভাব।
~ বাস্তবতামুখী সঠিক পরিকল্পনার অভাব।
~ সল্প সংখ্যক চিলিং প্ল্যান্ট
এই সমস্যাগুলি ছাড়াও আমাদের আরও অনেক সমস্যা রয়েছে যেমন রাজনৈতিক অস্থিরতায় দুধের ব্যাপক অপচয়, ক্ষুদ্র ঋণের স্বল্পতা ইত্যাদি ।
এই সমস্যাগুলো সমাধানে আমরা যা করতে পারিঃ
~ সঠিক কর্মপরিকল্পনা ও পদ্ধতি।
~ বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি গবেষণাগারে বৃহৎ গবেষণা।
~ দুগ্ধউৎপাদনে সরকারের বাজেট বৃদ্ধ।
~ ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকদের গাভিপালনে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান।
~ দুধ সংরক্ষণের জন্য আরও অধিক চিলিং প্ল্যান্ট নির্মাণ।
~ অধিক দুধ উৎপাদনের জন্য গাভির পুষ্টি নিশ্চিতকরন।
~ সর্বশেষে দুগ্ধউৎপাদনে বিভিন্ন এলাকায় মিল্কবেল্ট তৈরির উদ্যোগ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




