সোনাবারুর পর এবার জহুরা।কি অদ্ভুত ব্যবস্থার মাঝে আমরা বাস করি!একদল কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে ইংলিশ মিডিয়াম-প্রাইভেট ভার্সিটি শিক্ষা কিনে,বিদেশী ডিগ্রী লাগায় , আর আরেকদল গ্রামের নিতান্ত নিম্নমানের স্কুলেও ভর্তি হওয়ার সামর্থ্য রাখেনা।একদল পিৎজা হাট-কেএফসি স্টাইল জীবন যাপন করে আর সোনাবারুরা খেতে না পেরে আত্মহত্যা করে।আর নিজ দেশে আসতে গিয়ে আমার বোন ফেলানীকে ভিনদেশী ঘাতকের গুলিতে লাশ হয়ে কাঁটাতারে ঝুলে থাকে!
স্কুলে ভর্তির টাকা না পেয়ে আত্মহত্যা করেছে জহুরা নামের চুয়াডাঙ্গার এক দরিদ্র স্কুলছাত্রী।বিডিনিউজ২৪ .
কিছুদিন আগে সোনাবারু নামের আমার আরেক বোন ক্ষুধার জ্বালায় আত্মহত্যা করেছিলো।
এরকম একেকটি খবর যখন শুনি-দেখি,তখন ইচ্ছা হয় চিৎকার করে উঠি,ভেংগে চুরমার করে ফেলি গুলশান বনানীর 'আভিজাত্য' নামের অমানবিকতার ভিত্তি,শোষনের বিষচক্র।
জহুরা,সোনাবারু,ফেলানী--অভিমানী বোনেরা আমার,পারলে আমাদের মাফ করে দিস।দেখিস,একদিন আমরা এই চক্র আমরা ঠিকই ভেংগে দেবো।আমাদের আর কোন বোনকে এভাবে চোলে যেতে দেবোনা।আমরা একদিন মানুষ হবো,দেখিস,আমরা একদিন ঠিকই মানুষ হবো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



