ঢাকায় ফুটবলের শুরু থেকে এদেশের লীগ নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা হয়েছে। লীগ জনপ্রিয় করে তুলতে বিভিন্ন পরীা-নিরীা করতে যেয়ে বরং আকাশ ছোঁয়া উচ্চতায় ফুটবলকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছেন বিভিন্ন সময়ের ফুটবল শাসকরা। এবং তাতে ভালোর চেয়ে খারাপটাই বেশি হয়েছে। নিছক পরিকল্পনার নামে ফরম্যাট পরিবর্তন, পরিমার্জন এবং নতুন নতুন অদ্ভুত নিয়ম প্রয়োগে ফুটবল হয়ে উঠেছিল রু গ্ন। শেষ পর্যনত্দ ফিফা এএফসির পরামর্শে বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নে পেশাদারী প্রথা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেয়। অনেক প্রতীার পর সেই উদ্যোগ বাসত্দবায়ন হলো। কাব কর্মকর্তা, খেলোয়াড়, কোচ, দর্শক বুঝতে পারু ক না পারু ক সবার সম্মতিতেই মাঠে গড়ালো লীগ। বি লীগ বা পেশাদার লীগকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম গতকাল যেন বর্ণিল সাজে সেজে ছিল। লিগেউদ্বোধন উপল েপ্রায় ঘন্টাকাল স্থায়ী শিশু-কিশোরদের ডিসপে প্রদর্শন করল ত্রিধারা এবং স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠীর যৌথ উদ্যোগে।
রং-বেরংয়ের সাজে দেশাত্মবোধক গানের তালে নৃত্য পরিবেশন। গ্রামের মেঠো পথ দিয়ে গরু র গাড়ির করাত করাত শব্দে দূর প্রানত্দে চলে যাওয়ার দৃশ্য উপস্থাপন করেন নৃত্য শিল্পীরা। পেশাদার লিগে11 দলের জার্সি গায়ে মাঠ প্রদণি করে ছোট ছোট শিশুরা। 60', 70' ও 80'র দশকের ফুটবলার, কোচ, সংগঠক, রেফারিরা মার্চ পাস্টে অংশ নেন। প্রায় দু'বছর পর ঘরোয়া ফুটবল। এই ফুটবল খেলার জন্য খেলোয়াড়রা আন্দোলন করেছে।
পৃথিবীর কোথাও এমন নজির নেই যে দেশে ফুটবল খেলার জন্য খেলোয়াড়দেরকে আন্দোলন করতে হয়। শেষ পর্যনত্দ সবার দাবি পূরণ হয়েছে। স্বসত্দি এসেছে ফুটবল অঙ্গনে। প্রায় 15 হাজার দর্শক উপভোগ করছে। ইতিহাসের সাী হয়ে রইল গতকাল।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা তপন চৌধুরী উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এএফসি সাধারণ সম্পাদক পল মনি, বাফুফে সভাপতি এস এ সুলতান, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারু ল হক হেলাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনির আহমেদ, লীগ চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



