"চার বছরের কলেজজীবনে আমি যতটুকু শিখেছি তার চেয়ে বেশি শিখেছি নিজে অন্য বই পড়ে ।একটার পর একটা ক্লাসে বসে অধ্যাপকদের লেকচার শোনার কোন আগ্রহ ছিল না । ভগ্নস্বাস্থ্য বাবার পাশে দাড়িয়ে তাকে সাহায্য করা উচিত এই বোধটাও ততদিনে জেগেছে । শুরু হল চাকরি খোঁজা । কিন্তু কোথায় চাকরি?
হু হু করে বাড়ছে বেকারের সংখ্যা । বিভিন্ন অফিসে ছাটাই তো আছেই ।নতুন কোন পদই তৈরি হয়না ।বেকারদের এরকম করুন অবস্থা নিয়েও নানা রকম রসিকতা চালু হয়েছিল ।
যেমন কিছু কিছু বেকার ছেলে শ্মশান ঘাটে বসে থাকত ।কোনও মাঝবয়সি মড়া এলেই তারা শববাহকদের গিয়ে জিজ্ঞেস করত , দাদা ,ইনি কোন অফিসে চাকরি করতেন? কি পোস্ট ছিল? ' । তারপরই ছুটে গিয়ে বাড়িতে বসে দরখাস্ত লিখত - স্যার লার্নিং ফ্রম দ্য বারনিং ঘাট দ্যাট এ পোস্ট ইজ লাইয়িং ভেকান্ট ইন ইয়োর অফিস.........।"
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ''অর্ধেক জীবন" থেকে ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


