কম্পোজ শব্দটার সাথে প্রথম পরিচিত হওয়া টা মূলত পরীক্ষায় নকলের কারনে। অনেককেই দেখতাম ছোট কাগজে খুব ই ছোট লেখা কম্পোজ করে এক্সামে নিয়ে যেত। প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া তে নকলবাজদের সরব দৌরাত্ব দেখাটা খুব ই স্বাভাবিক ছিল। ব্যক্তি এহসানুল হক মিলন (তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী)কে নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে তবে বিতার্কিক ভাবে এই লোকটি নকলের মূলোৎপাটন করেছিলেন। এই দেশে গ্রেডিং পদ্ধতি চালুর প্রথম দিকটা ঠিক ই ছিল। মনে আছে প্রথম বার এইচ এস সি তে মনে হয় সারা দেশ থেকে ২৪ টার মতো এ+ আসছিল। তারপর ই কি ভেবে যে আমাদের ক্ষমতা প্রধানেরা পাশের হার কে উন্নয়নের প্রধান অনুষঙ্গ ভাবতে শুরু করলেন, তাই আমাদের কাল হয়ে দাড়াল!!
এমন ই ডিজিটাল হইলাম আমরা পরীক্ষার আগেই ছাত্র-ছাত্রীরা প্রশ্ন পেয়ে যায়। এই প্রশ্ন হুবহু মিলেও যাচ্ছে। তবু আমাদের শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ সাহেব বলতেছেন এইগুলা নাকি উড়ো খবর, ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সাথে পরী ক্ষার প্রশ্নের আদৌ মিল নেই!!! একটা দু'টা নয় প্রতিটা পরীক্ষাতেই এমন হইতেছে তবু কোনো ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষণ ই নেই!! ধরে নিলাম অর্ধেক ছাত্র-ছাত্রীরা প্রশ্ন পেয়ে যায়, কিন্তু বাকিরা যারা সারা বছর পড়শোনা করে তারা কি এইসব ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে হেরে যাবে যারা সারা বছর গায়ে বাতাস লাগিয়ে বেড়ায়।ক'দিন পরেই তো ওরা ভার্সিটি তে ভর্তি এক্সাম তখন ই দেখা যাবে যারা ডিজার্ভ করে কিন্তু গ্রেডিং এ পিছিয়ে যাওয়ার কারনে আবেদন ও করতে পারবে না। অনেক মেধাবীরা তো ঝড়ে যাবেই সাথে করে অনেক গ্রেড নিয়ে পাশ হওয়া অমেধাবীরা ও ঝড়ে যাবে বৈকি। এই দায়িত্ব কে নিবে?? নাহিদ স্যার কি নিবেন? নাকি পাশের হার দেখিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলবেন?!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




