এক ভদ্রলোকের শৈশব থেকেই বেহেশতে যাওয়ার ন্যাক । সমস্যা হলো মৃতু্যর পরে হিসেব করে দেখা গেল পাপপূণ্যের খেলা টাই । একেবারে 50তম ওভারের শেষ বলে দুপক্ষইঅল আউট। আল্লাহ অনেক চিন্তা করে বল্লেন ঠিক আছে তোমার জন্যে কনসেশান..বেহেশত আর দোজখ আধাঘন্টা করে ঘুরে দেখ তার পর সিদ্ধান্ত নাও। তবে একবার সিদ্ধান্ত নিয়ে আর পালটাতে পারবানা । তো ভদ্রলোক প্রথম গেলেন 'লাজা' দোজখে। গিয়ে তো চক্ষু চড়কগাছ...ব্রীজিত বদের্া, মেরিলিন মনরো থেকে শুরু করে কলেজের লাস্যময়ী আম্বিয়া পর্যন্ত যাবতীয় গাঢ় মহাকাব্য, রাজনীতিবীদ, আধ্যাত্মিক গুরু..মোটকথা তাবৎ বিখ্যাতজন সেখানে কেউ ভাঙ্গা পাঁচিলের উপর বা নদীর ধারে বসে গপপো চালাচ্ছে....লাস্যময়ীরা চাহিবামাত্র ইহার বাহককে ,স্টাইলে ঢলেপড়ছে অঙ্গসহচরী হয়ে....ভদ্রলোক একটু ইমপ্রেসট হলেন । কিন্তু জান্নাতুল ফেরদৌস দেখে গেল মনমেজাজ খিচড়ে । যাকে বলে ইন্ডিয়ান পিঁয়াজ দিয়ে বানানো নেতিয়ে পড়া আলুভতর্ার মতো জীবন । কোন চেনা মুখ নেই। হুরদের শরিরে সেক্স ছাড়া সবই আছে...তহুরায় চুমুক দিয়ে ফেলে দিলেন থু থু করে...রূহ আফসা...মনে পড়লো বি.টি.ভি.র সেই বিভৎস বিজ্ঞাপন ..আচ্ছা দাদু তুমি রূহ আফসা ছাড়া ইফতার করতে চাওনা কেন? যাই হোক সব দেখে শুনে ভদ্রলোক আল্লাহকে জানালেন তার মনোবাঞ্জা। গেলেন দোজখে। কিন্তু একি! অ্যান্টিকরাপশন বিভাগের এক ফেরেশতা তাকে ছুঁড়ে ফেলল ফুটন্ত ডুবো তেলে.... আরে আরে এগুলা কি...এতো দেখায় মরগী খাওয়ায় ডাইল!!!! হা হা হা হা (অফ ভয়েসে ঈশ্বরের আট্টহাসি ) আগের গুলা ছিল বিজ্ঞাপন!!!!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




