কি লিখবেন কেন লিখবেন
২৩ শে মে, ২০০৭ রাত ১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ব্লগে কি লেখা উচিৎ কি লেখা উচিৎ নয় সে বিষয়ে প্রাজ্ঞজনে নানা কথা বলেন। ঠিক কোন মানদন্ডে ঔচিত্য মাপা হবে তার সমাধান সুদূরপরাহত বলে নীতিদর্শন নিজেই বহুৎ ঝামেলায় আছে। অনাবশ্যক জটিলতা পরিহার না করলে নানারকম পরবর্তী বিপর্যয়ের সম্ভাবনা থাকে। তাই আমি মনে করি ব্লগে সবকিছুই লেখা যায়। আসল কথা হচ্ছে আপনি অন্তত: কি-বোর্ডের দিকে তাকিয়ে হলেও টাইপ করতে পারেন কিনা। আপনার আঙ্গুল যেখানে যেখানে চাপ দেবে তার পাটিগণিতীয় সমষ্টি হচ্ছে আপনার লেখা। লেখা সম্পর্কে এইটুকুই তথ্য। বাকি আর যতরকম কচকচি সবই ইন্টারপ্রিটেশন।
এখানে আপনার লেখার বিচারক আপনি নিজে। অনেকের লেখার সমাবেশ ঘটায় সুযোগ আসে অপরের লেখা পড়ে দেখার। তাতে অবধারিতভাবেই নানারকম প্রতিক্রিয়া আসে। তাতে লেখক উপকৃতই হন। আমার ব্যক্তিগত মতামত অনুসারে ব্লগ মতপ্রকাশের এবং মতসংঘর্ষের খুব বড় একটা প্লাটফর্ম। সম্ভবত আজ পর্যন্ত আর কোন মিডিয়া এতটা খোলাখুলি নিজেকে মেলে ধরার যোগ্যতা রাখেনি। এই বিশ্বব্যাপী নোংরা কর্পোরেটিজমের যূগে এটা অনেক বড় সুযোগ। এই সুযোগ কাজে লাগান। লিখুন। অনেক অনেক লিখুন। না লিখে কেউ লেখক হয় না। আর একটা কথা স্পষ্ট জেনে রাখবেন। সমালোচকের মন্তব্য নিতান্তই আর একটা অবস্থানের মন্তব্য। সেটা কোন মানদন্ড নয়। তার কথা শুনুন। তার লেখা পড়ুন। সেখানে নিজের মতামত দিন। নিজের লেখাকে নিজেই সমালোচনা করুন। যতটা কঠোরভাবে সম্ভব। তারপর আবার লিখুন। নিজের আর অপরের সমালোচনাগুলো তুলনা করুন। পরের কিস্তিতে আরো নির্মম হন নিজের প্রতি। সমালোচককেও ধরুন। তার প্রতিক্রিয়া দেখুন। প্রতিটা এক্সপ্রেশানই আসলে নানাধরনের সমালোচনা। পরপর সমালোচনার ধারাবাহিকতাই যেকোন মাধ্যমের প্রাণ। শেষ পর্যন্ত তো সবকিছুর নির্মম সমালোচনাই টিকে থাকে...নাকি?
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
জুল ভার্ন, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:২৮
মতাদর্শের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থ বড়....
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা দিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। আমাদের রেমিট্যান্স অর্থনীতির একটি বড় ভিত্তি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন
হিজিবিজি নদীর ধারে খাদ্যমেলা
.................................................................

শামুক ভাইটি দিল ছুট,পায়ে তাহার নাইকো বুট।
হোঁচট খেয়ে থাবড়া,
মাছের নাকে কামড় বা!
মাছটি বলে, "কী আপদ!ছাড়ো আমার এই পথ।
"ফ্যাঁকফ্যাঁকে সব বুদবুদ,
ছুটলো তারা কুদকুঁদ।
ব্যাঙ ও মাছি,...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
সামিয়া, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২

ঝড়ের কাছে হেরে যাওয়া গাছ,
শুকনো পাতার মতোই ঝরে পড়ে।
আমি শিকড়ে বেঁধেছি বাসা,
তাই তো দাঁড়িয়েছি ঝড়ের পরে।
একলা রাতের নীরব জানালায়,
কত অশ্রু ভোরের আগে শুকায়।
শান্তি নামে শব্দহীন এক পাখি,
যখন মানুষ নিজেকেই খুঁজে...
...বাকিটুকু পড়ুন
ছবি-১
চলার পথে অনেকেই হয়তো মোবাইল ফোনে ব্লগ পড়তে বা দেখতে গিয়ে বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। সাধারণত মোবাইল ফোনে যারা ব্লগ পড়েন তাদের ব্লগের লেখা পড়তে ও ব্লগের লেখা সহ ছবি...
...বাকিটুকু পড়ুন
৪. কুয়াশার ভেতরে ও বাইরে
পরের দুটো সপ্তাহ কেটে গেল এক অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক লুকোচুরির মধ্য দিয়ে। শামিত নিজেকে আপ্রাণ বোঝানোর চেষ্টা করল যে সে ক্যাভেনডিশ ব্যাংকের একজন সামান্য চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মাত্র,...
...বাকিটুকু পড়ুন