বালিঘড়ি
৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বছর ঘুরে আসছে। জুন আসতে আর কয়েক ঘন্টা বাকি। গতবছরের জুনে অনেক ঘটনা ঘটলো একসাথে। ফ্লাডিং,প্রথম পাতায় ব্যান (পরে দ্রুত আনব্যান), হাসপাতাল গমন ইত্যাদি। তবে স্মৃতিতে দাগ কেটে আছে সাদিকের সংক্ষিপ্ত কাসেল ট্যুর। দু:সময়ে এসেছিল। যতটা ঘুরতে বা আড্ডা দিতে চেয়েছিলাম ততটা পারিনি। পেছনের সিড়িতে বহুদিন পড়েছিল কাতার এয়ারলাইন্সের ট্যাগ। ব্লগের বয়স তখন সাকুল্যে ৬ মাস। পাঁচমাসের মাথায় প্রাপ্তিকে ঘিরে ব্লগারদের মধ্যে অভাবনীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল। বহুদিন জানিনা প্রাপ্তি এখন কেমন আছে। ডিসেম্বরে যারা দেশে গিয়েছিলেন তারা সবাই কমপক্ষে একবার করে গিয়েছেন ওদের বাড়ি। আমি দূর থেকে শুভ কামনা ছাড়া আর কিছু করতে পারিনি।
মে-জুন ২০০৬ এর তুলনায় ২০০৭ এ অর্ধেকও পোস্ট করা হয়নি। অথচ প্রায়ই ঘন্টার পর ঘন্টা ঝুলেছি লগইন অবস্থায়। প্রতিদিনই কমপক্ষে একবার ভেবেছি এইবার অন্তত মাসখানেকের জন্য একটা ডুব মারবো। হাসপাতালের সময় বাদে টানা ৪৮ ঘন্টা ব্লগের বাইরে থাকা হয়নি কখনোই। রাতে চোখ বোজার আগে আর সকালে চোখ খুলে শেষ পর্যন্ত এখানেই ফিরেছি।
দেড় বছর হলো এখানে। অনেক বন্ধু পেলাম। শত্রু সেভাবে পাইনি। মতামতের জন্যে কেউ লালতালিকাভুক্ত করে থাকলে তার জন্যও থাকলো শুভ কামনা। বহু লেখা পড়েছি। মন্তব্য করেছি ইচ্ছামত। তাতে কালক্ষেপণ ছাড়া কতটা ক্ষতিবৃদ্ধি হয়েছে জানিনা। মতসংঘর্ষ-প্রতিআক্রমণ উপভোগ করেছি। ওই উপভোগ টুকুই হয়তো প্রাপ্তি।
মীর মশাররফ হোসেন হলে থাকতে দুপুরে-রাত্রে খাওয়া হতো কালুর মেসে। কালুর অদ্ভুত প্রীতি ছিল ৫০০টাকার নোটে। পাঁচটা বা ১০টা ১০০টাকার নোট দিলে তার মধ্যে তেমন ভাবান্তর দেখা যেত না। কিন্তু একটা ৫০০টাকার নোট দিলেই খাতির শুরু করতো। সংখ্যাটার একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আছে। মনে হয় অনেকটা হলো। আর কতটা বাকি কেউই যখন জানেনা অনেকটা ভেবে খানিক স্বস্তি পেলে ক্ষতি কি?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
জুল ভার্ন, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:২৮
মতাদর্শের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থ বড়....
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা দিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। আমাদের রেমিট্যান্স অর্থনীতির একটি বড় ভিত্তি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন
হিজিবিজি নদীর ধারে খাদ্যমেলা
.................................................................

শামুক ভাইটি দিল ছুট,পায়ে তাহার নাইকো বুট।
হোঁচট খেয়ে থাবড়া,
মাছের নাকে কামড় বা!
মাছটি বলে, "কী আপদ!ছাড়ো আমার এই পথ।
"ফ্যাঁকফ্যাঁকে সব বুদবুদ,
ছুটলো তারা কুদকুঁদ।
ব্যাঙ ও মাছি,...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
সামিয়া, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২

ঝড়ের কাছে হেরে যাওয়া গাছ,
শুকনো পাতার মতোই ঝরে পড়ে।
আমি শিকড়ে বেঁধেছি বাসা,
তাই তো দাঁড়িয়েছি ঝড়ের পরে।
একলা রাতের নীরব জানালায়,
কত অশ্রু ভোরের আগে শুকায়।
শান্তি নামে শব্দহীন এক পাখি,
যখন মানুষ নিজেকেই খুঁজে...
...বাকিটুকু পড়ুন
ছবি-১
চলার পথে অনেকেই হয়তো মোবাইল ফোনে ব্লগ পড়তে বা দেখতে গিয়ে বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। সাধারণত মোবাইল ফোনে যারা ব্লগ পড়েন তাদের ব্লগের লেখা পড়তে ও ব্লগের লেখা সহ ছবি...
...বাকিটুকু পড়ুন
৪. কুয়াশার ভেতরে ও বাইরে
পরের দুটো সপ্তাহ কেটে গেল এক অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক লুকোচুরির মধ্য দিয়ে। শামিত নিজেকে আপ্রাণ বোঝানোর চেষ্টা করল যে সে ক্যাভেনডিশ ব্যাংকের একজন সামান্য চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মাত্র,...
...বাকিটুকু পড়ুন