[পাবলিক, টাইটেল দেইখাই লাফ দিয়েন্না, আগে পুরাটা পইড়া লন]
পলাশী যুদ্ধের আগে থিকাই মির জাফর ইংরাজ ও অন্যান্য দের লইয়া নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরূদ্ধে ষড়যন্ত্র পকায়। টের পাইয়া নবাব মির জাফররে বাদ দিয়া মির মদনরে প্রধান সেনাপতি হিসাবে নিয়োগ দেয়। মির মদন মরার আগ পর্যন্ত নবাবের প্রতি বিশ্বস্ত ছিল।
তো পলাশী যুদ্ধের আগে নবাব কি করল? আবালের মত কাম করল। মির মদনরে সরাইয়া ষড়যন্ত্রকারী মির জাফররে আবার সিপাহ্সালার বানাইল ।
২৩ জুন ১৭৫৭ পলাশী, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বাংলা।
বাংলার নবাব সিরাজ বনাম ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রবার্ট কিলাইভের মধ্যে লাড়াই। সকাল ৭ টায় যুদ্ধ শুরু হইল। দেখা যাক কে কিরাম সৈন্য সামন্ত ও অস্রশস্র লইয়া নামছিল।
কিলাইভ:
সৈন্য : মোট ৪,৩০০ ( ২,১০০ ভারতীয়)
কামান : ৯ টা
সিরাজ :
সৈন্য : পিরায় ৫০,০০০
কামান : ৫৩ টা
যুদ্ধ শুরু হইলে সিরাজের আবালামির ফলাফল টের পাওয়া গেল। মির জাফর ও রায় দূর্লভ বিরাট সৈন্য লইয়া দাড়াইয়া দাড়াইয়া খেইল দেখতে লাগল। তার্পরেও মির মদন, মোহন লালেরা জীবন বাজী রাইখা ভালই ফাইট দিয়া যাইতে লইছিল। পর্থম সাত ঘন্টা যুদ্ধ মোটামুটি সিরাজের ফরেই আছিল ।
এর্পরেই দুর্ভাগ্যবশতঃ একটা গোলা আইসা মির মদনরে আহত করে। মোহনলাল একাই যুদ্ধ চালাইতে চায়। এইবার সিরাজ আসল আবালামীটা করে। বিশ্বাসঘাতক মির জাফর আর রায়দুর্লভের পরামর্শ চায়। ওদের পরামর্শ মত ভাল অবস্থানে থাকা সত্বেও যুদ্ধ থামায় দেয়। যদিও কমান্ডাররা যুদ্ধ চালাইয়া যাইতে চাইছিলেন। কিলান্ত ও মনোবল হারনো সিরাজের সৈন্যরা ক্যম্পে ফিরার সময় পিছন থিকা কিলাইভের সৈন্যরা আক্রমন করে। ২ ঘন্টার মধ্যে খেইল খতম পয়হা হজম।
বাংলার স্বাধীনতার সুরুয এই যুদ্ধের মদ্দেই ডুবছে বইলা এখন আমরা লাফালাফি করলেও, তখন সাধারণ পাবলিকের তেমন কোন পোর্তিকিরিয়া ছিলনা। কিলাইভ লেখছে, সে যখন জয়ী হইয়া মুর্শিদাবাদ শহরে ঢুকে, তখন তামাশা দেখনের লাইগা যে পরিমান পাবলিক জমা হইছিল সবাই যদি একটা কইরা ঢিল্লা মারত তাইলেই ইংরাজ বাহিনী খতমে তারাবী পড়ত।
পলাশী যুদ্ধ নিয়া একটা গল্প আছে। দুই চাষা ক্ষেতে কাম করতেছে। একজন আরেক জনরে ডাক দিয়া কয় -
- নজিরুদ্দি হুনছসনি মুর্শিদাবাদে নবাবী লইয়া লাড়াই হইছে
- তয় নতুন নবাব এখন কেটা?
- মির জাফর
- ও
দুইজনেই আবার ক্ষেতের কামে মন দিল।
আলোচিত ব্লগ
দুমুখোচিন্তা
সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন
'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন
আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন
মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।