somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নতুন ব্লগ লিখুন। কি বোর্ড বেছে নিন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এতদিনে চাঁদে মানুষের কলোনী থাকার কথা ছিলো। কিন্তু, চাঁদে মানুষ ১৯৭২ এর পরে ল্যান্ড ও করেনি। কেন করেনি? এর অনেক উত্তর ছিলো। এখনকার বাজারে উত্তরটা হলো, চাঁদে গিয়ে কি হবে খোকা? দেখছো না আমরা মঙ্গলে যাচ্ছি?
কদিন পর পেপারে আসবে,"পৃথিবীর মতো আরেকটা গ্রহ পেলাম। বিজ্ঞানের যা উন্নতি হচ্ছে, এই সোমবারের পরের সোমবার পৃথিবীর কজন সেখানে পিকনিকে যেতে পারে; তবে এই রোববার নাগাদ আমরা মঙ্গলে ডিশ অ্যান্টেনা লাগিয়ে নেবো, কেননা শুক্কুরবারে তো মঙ্গলে পৌছেই যাচ্ছি!!"

বিজ্ঞান এগিয়েছে, সামনে আরো এগোবে। কিন্তু, বিজ্ঞান যার জন্য, সেই মানুষের শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে কি? টপ করে- ন এ কার "না" বলে ফেলুন।
কেননা, বিশাল একশ্রেনীর মানুষ প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছে। প্রতিদিন মানুষের হাতেই প্রাণ দিচ্ছে অসহায় মানুষ! মানবজাতির ভবিষ্যত আর সাইন্স ফিকশন না। যারা প্রাণ বাচাঁনোর ওষুধ বানায়, তারাই আরেক দেশে অস্ত্র বেঁচে।

এই নিরেট সত্য, পুনরায় আপনাদের মনে করিয়ে দেয়ার অর্থ কি? অর্থ হলো আপনাকে সচেতন করা। একটু চোখ কান খুলে দেখুন, আপনাকে কি পরিমান ভুল বোঝানো হচ্ছে।
আপনার মতো দুটো হাত পা বিশিষ্ট মানুষই আপনাকে বোকা বানাচ্ছে, আপনি তাকে প্রশ্ন করবেন দূরে থাক, চিহ্নিতই করতে পারবেন না। টিভির অ্যাড থেকে ব্লগে ফ্লাডিং, সড়ক আন্দোলন থেকে বিচারপতির পলায়ন, এক প্যাক বিস্কুট কেনা থেকে ফেসবুক ফিড, আমরা ভুল বুঝতে বুঝতে এতটাই অভ্যস্ত যে, সত্যকে আলিঙ্গন করতেই আমাদের গা রি রি করে।

একবার ভাবুন তো, মঙ্গলে মানুষ যাবে, কিন্তু কেন?
কারণ পৃথিবী বসবাসের উপযোগী থাকবে না। পারমানবিক বোমার কথা বাদ দেন। পারমানবিক বোমা না ফুটলেও জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকানো যাবে না। এই জলবায়ুর রোষ সবাইকে গ্রাস করবে, কিন্তু সবাইকি এর হাত থেকে মুক্তি পাবে? সবাই কি মঙ্গলগামী রকেটের টিকিট কিনতে পারবে?
আফ্রিকার কথা না ভেবে, ঢাকার বস্তিবাসীর কথা ভাবুন তো! বস্তিবাসীর কথা না ভেবে আমাদের কথা ভাবুন। যদি দূর্যোগ জনিত মহাবিলুপ্তি হাজির হয়, তাহলে কয়জন ব্লগার রকেটের লাক্সারী কেবিনে বসে রুহ আফজা খেতে পারবেন?

আপনি জানেন কাজের মেয়ের সাথে কেমন ব্যবহার করতে হয় এটা রবির মাথা ব্যথা না। কিন্তু তাদের অ্যাডে, মানবতার গল্প অভিনেতারা মঞ্চায়িত করলে আমরা মোহিত হই। শাহরুখ খান আগে হিরো আলমের মতো কালো ছিলো, পরে ফেয়ার এন্ড লাভলী সর্বাঙ্গে মেখে ফর্সা হয়ে গেছে- এমন ভেবে সত্যি সত্যি কিছু মানুষ ফেয়ার এন্ড লাভলী মাখে।
Complan খেতে খেতে এই সময়ের বাচ্চারা, Complain করতেই ভুলে গেছে, বা অহেতুক ফালতু Complain করছে। কারো কোন মাথা ব্যথা নেই।
ব্লগে যাচ্ছেতাই Propaganda ছড়ানোর জন্য অনেকে লিখছেন, জেনে না জেনে, কিংবা অনেক বড় প্ল্যানের অংশ হিসেবে। যখন মোস্তফা জব্বার বলেন "ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট আছে", তখন কেউ বলে না, "তাহলে ইন্টেলিজেন্স দেখছে আমি কি লিখছি? তাহলে নিশ্চয়ই এটা খুব জরুরী কিছু। আমিতো নিরীহ মানুষ, কবিতা লিখি, কিন্তু কই, কোন রাঘব বোয়ালতো দেখচি না!"

এটাই বোঝা জরুরী। বিমান ছিনতাই হলে চুড়িহাট্টা ভোলা যায়। মিডিয়া শুধু মাত্র লাইভ টেলেকাস্ট করে আপনার একটা সিদ্বান্ত পাল্টাতে পারে। কিন্তু লাইভ টেলিকাস্ট দেখা আর ইউটিউবে তামিল ছবি দেখা এক! টিভি মালিক সারাদিন আগুন দেখায়, এতে তার খরচ কম, আপনিও বউ বাচ্চা নিয়ে সারাদিন বসে থাকবেন, অনেক অ্যাড দেখবেন। মনোযোগ দিয়ে আপনি দেখবেন এবং শুনবেন, একটা মানুষ যে, সারাদিন ঐখানে দাড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি করছে (যে একজন অভিনেতাও), তার অনেক "অনুমান", "অনুভূতি" মিশ্রিত তথ্যপ্রবাহ!!

আপনার দেশের আইন প্রণেতারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রাজনীতি করলে, এক শ্রেনীকে সারাদিন গালাগাল করা যায়, যার ফায়দা হলো, আপনি আইন প্রণেতাকে জিগ্গেস করবেন না," তা ভাই, মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য কি ছিলো? কেন মালয়শিয়া, আজকে মালয়শিয়া হলে, আমি বাংলাদেশ? আমার স্বাধীনতা কেন আজকে ফেসবুক ইঊটিউভ, নিষিদ্ধ ব্লগের কমেন্ট সেকশনে? আমার সেই মিছিলের কন্ঠ কই?"


আজকে আসল কথাই লিখতে পারলাম না, চলবে....

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:০৭
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পেয়াঁজ বিহীন ভর্তার রেসিপিঁঁ

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪



খোদ গনভবনে যেহেতু পেয়াজ ছাড়া রান্না হইতেছে , সেখানে আপনি ২৮০ টাকা কেজি দিয়ে পেয়াজ কিনে রান্না করবেন সেটা কি ভাল দেখায়? যাই হোক ব্লগে আমরা পেয়াজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোলকাতা ভ্রমন- ৩ (শেষ পর্ব)

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫



শান্তিনিকেতন থেকে কোলকাতা ফিরলাম ট্রেনে করে।
ভয়াবহ সেই ট্রেন। পা রাখার জায়গা নাই। ট্রেনের নাম কাঞ্চন। আসাম থেকে এসেছে যাত্রী বোঝাই করে। কোনো রকমে ট্রেনে উঠলাম। যাওয়ার সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরার যাতনা

লিখেছেন আরোগ্য, ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৫

( কাব্যিক পোস্টের জন্য মা হাসান ভাই ও ভুয়া মফিজ ভাইদ্বয়ের সমীপে দুঃখিত। গল্প বা বিশদ বিশ্লেষণ লিখতে পারি না, তাই স্বল্প সময়ে অকবিতাই মোর ভাব প্রকাশের বাহন)... ...বাকিটুকু পড়ুন

পেঁয়াজ

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২৫


পেঁয়াজ নিয়ে তেলেসমাতি , চলছে নানান খেল ।
পেঁয়াজ যেন সোনার হরিণ , সোনার মার্বেল ।
পেঁয়াজ তুমি বুকে এসো , তুমি মূল্যবান ,
পেঁয়াজ তোমায় ভালোবাসা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার পদাতিক চৌধুরীর সাথে কোলকাতায় দেখা

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৯



আমাদের সামু ব্লগের ব্লগার পদাতিক চৌধুরী।
তার ভালো নাম তাইমূর চৌধুরী। দাদা সময় সুযোগ পেলেই তার পরিবার নিয়ে খুব ঘুরে বেড়ান। তার ছেলের নাম শ্রন্থন (মেঘ)। খুব সুন্দর নাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×