
চিত্র: সায়াটিকা
সায়াটিকা একটি সায়াটিক স্নায়ু জনিত রোগ।
কারণসমূহ :
*দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে থাকলে বা দাঁড়িয়ে থাকলে এই ব্যথা বৃদ্ধি পায়।
*মেরুদণ্ড ভাঁজ করে কোনো কাজ করলে এমনকি নিচু হয়ে খাওয়ার সময়ও চিনচিন করে ব্যথা হতে পারে।
আবার হাঁটাহাঁটি করলে কিংবা সোজা হয়ে শুয়ে থাকলে এই ব্যথা কমে যায়।
*প্রায়ই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক বা তরুণাস্থি তার নিজ অবস্হান থেকে সরে যাওয়া বা
কোনো আঘাতের মাধ্যমে চাপের সম্মুখীন হলে সায়াটিক স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
লক্ষণসমূহ:
ঊরুর পেছন দিক থেকে শুরু হয় একটা চিনচিনে বা শিরশিরে ব্যথা
পরে এ ব্যথা নেমে যায় পায়ের পেছন দিক দিয়ে এমনকি হাঁটুর নিচে
, কখনো একেবারে পায়ের পাতা পর্যন্ত
কেবল ব্যথা নয়, মাঝে মধ্যে অবশ হয়ে আসা বা ঝিম ধরে থাকা অনুভূতিও হতে পারে ।
সতর্কতা :
*যাঁদের সায়াটিকা আছে, তাঁরা দীর্ঘক্ষণ একইভাবে বসে থাকবেন না,
বিশেষ করে যদি তা আরামদায়ক না হয়, যেমন চেয়ারে একদম পিছনে এসে বসতে হবে ।
*বসে কাজ করার ফাঁকে খানিক হাঁটাহাঁটি করবেন বা সোজা হয়ে শুয়ে থাকবেন।
*বেশি ব্যথা হলে ব্যথা নাশক ওষুধ খেতে হবে।
*পরপর কয়েক দিন গরম ও ঠান্ডা সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়।
দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পর ঊরুর পেছনে ১৫ থেকে ২০ মিনিট গরম সেঁক দিন। তারপর একইভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট আইস প্যাক দিয়ে সেঁক দিন। ১
দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা হলে অবশ্য কারণটি অনুসন্ধান করে তার চিকিৎসা করতে হবে।
পরীক্ষাসমূহ:
* কোমরের এক্সরে
* মেরুদণ্ডের এম,আর,আই
চিকিৎসা :
*বেশি ব্যথা হলে ব্যথা নাশক ঔষধ খেতে হবে।
* কোমর ও পায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফিজিওথেরাপি নিয়মিত করতে হবে।
* কারণ নির্ণয় করে এ রোগের মূলে চিকিৎসা করতে হবে।
* কখনো কখনো শল্যচিকিৎসারও প্রয়োজন হতে পারে ।
তথ্যসূত্র: NCDcenter.com

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

