somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কুয়াকাটার পার্ক দুটির কী অবস্থা ?

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুয়াকাটায় পর্যটকদের জন্য দর্শনীয় স্থান হচ্ছে ফাতরার বনের ইকোপার্ক ও কুয়াকাটা ইকোপার্ক। দুটি ইকোপার্কের কোনোটির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না। সেখানে যেসব গাছ রয়েছে এরও যত্ন নেওয়া হচ্ছে না। পর্যটকরা পার্কে অবসর কিছু সময় অতিবাহিত করে ঘরে ফিরছেন। অথচ প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে কুয়াকাটা ইকোপার্কের। পার্ক দুুটিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব। প্রবেশের ক্ষেত্রে দুই টাকা করে ফি দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা অনেক ক্ষেত্রে আদায় করা হয় না। সরেজমিন কাউকে টিকিট কাটতে দেখা যায়নি। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পর্যটকদের জন্য কুয়াকাটা ইকোপার্ক তৈরি করা হয়। পার্কের অবস্থান ভাঙনকবলিত এলাকায় হওয়ায় ইকোপার্ক প্রকল্প প্রায় বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এটি রক্ষা করার জন্য তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। বলা হয়, ৪৫ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে কিন্তু বাস্তাবে তা দেখা যায়নি। পার্কটি যখন তৈরি হয় তখন সেখানে ভূমি উন্নয়ন, ইকোপার্কের মূল ফটক, এপ্রোচ রোড, ফিডার রোড, পিকনিক স্পট, টয়লেট, কার পার্কিং, আরসিসি ফ্রেসের দেয়াল, হাঁটার জন্য পথ, ব্রিজ, পাইপ, কালভার্ট, সড়ক তৈরি, টিউবওয়েল, লেক উন্নয়ন করা হয়। পার্কের কাজ করার জন্য যে সময় ছিল তা মানা হয়নি। অনেকটা তড়িঘড়ি করেই কাজ শেষ করা হয়। ইকোপার্কের প্রায় ১৪ হাজার একর জায়গা রয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার একর জায়গা রয়েছে ফাতরার বন অর্থাৎ টেংরাগিড়ি বনে। বাকি প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর জায়গা রয়েছে কুয়াকাটা গঙ্গামতির কাছে ইকোপার্কে। অথচ ওয়াচ টাওয়ার তৈরি হতে যাচ্ছে বন বিভাগের ইকোপার্কে। এখান থেকে ফাতরা বন, গঙ্গামতির চড় ও সমুদ্রের আরও অনেক কিছু দেখা যাবে। কলাপাড়াও দেখা যাবে। লেবুর বনও বাদ যাবে না। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণসহ সেখানে ড্রেন, বাউন্ডারি ওয়াল, বক্স, কালভার্ট তৈরি করা হবে। পাশাপাশি রাস্তারও সংস্কার করা হবে।

ফাতরা বনে পর্যটকদের জন্য আরও স্থাপনার সুযোগ রয়েছে কিন্তু বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো নির্দেশনা না থাকায় সেখানে কোনো কিছুই গড়ে উঠছে না। বনে যাওয়ার জন্য বোট ভাড়া নির্ধারিত না থাকায় পর্যটকরা অনেকেই বেশি টাকা গুনে থাকেন। নিয়ম রয়েছে জনপ্রতি আসা-যাওয়ার জন্য একশ' টাকা করে ভাড়ার। অনেক ক্ষেত্রে তা মানা হয় না। এটি সুন্দরবনের পূর্ব অংশে অবস্থিত। তাই এখানে সুন্দরবনের অনেক কিছুই উপলব্ধি করা যাবে। বন বিভাগ সেখানে পর্যটকদের জন্য কাঠের ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। তখন ফাতরার বন থেকে টিকিট কিনে পর্যটকদের সেখানে যেতে হবে। কুয়াকাটায় আসা পর্যটকদের কাছে এ পার্ক দুটি যাতে অনন্য আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয় সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×