somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পলিথিন ও প্লাস্টিকঃ কখন বন্ধু, কখন ঘাতক

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পলিথিন নিষিদ্ধ হয়েছে আজ অনেক বছর। তারপরেও ভোক্তাপর্যায়ে ও খুচরা-বিক্রেতাদের মধ্যে এ নিয়ে সচেতনতা তৈরী হয়নি বিন্দুমাত্র।

কাঁচাবাজারের পণ্য ক্রয়-বিক্রয় এবং যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার মাধ্যম হিসেবে এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যাগ। শুধুমাত্র কিছু সুপার-শপে কাগজ, পাট বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহৃত হচ্ছে।

সরকার ও নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকে শুধু পলিথনকে নিষিদ্ধ করার জন্যই প্রচার-প্রচারণা করা হয়েছিল। নিষিদ্ধ প্রতিটা জিনিসের প্রতিই মানুষের আকর্ষণ অন্যরকমভাবে বেড়ে যায়। বরং, এ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করাটাই যথেষ্ট ছিল।

প্লাস্টিক বা পলিথিন চিরকাল অপচনশীল থাকে। এগুলো ব্যবহার করুন, পুনর্ব্যবহার করুন, সমস্যা নেই; কিন্তু কখনোই আবর্জনার সাথে ফেলে দিবেন না। এগুলো কোন কিছুতেই বিনষ্ট হয় না; আবার আগুনে পোড়ালে পলিথিন ও প্লাস্টিক থেকে মারাত্মক-জীবননাশী গ্যাসের সৃষ্টি হয়।

তাই, কাঁচাবাজারের দ্রব্য বা এমন কোন দ্রব্য যেটা পরিবহনের পরে ব্যাগ ফেলে দিতে হয়, সেক্ষেত্রে কাগজ, পাট বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করুন। কাগজ, পাট বা কাপড়ের ব্যাগ ফেলে দেওয়ার পরেও রিসাইকেলড হয়ে, কোন রকম পরিবেশ-দূষণ না করেই মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হতে পারে। এগুলো কোন কারণে আগুনে পুড়ে গেলেও অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিকর গ্যাস নির্গত হয়, তাও অল্প পরিমাণে। কাগজ, পাট বা কাপড়ের ব্যাগ মাটিতে বা পানিতে ফেলে দেওয়া হলে নির্দিষ্ট সময় পরে তা মিলেমিশে যায়।

অন্যদিকে, প্লাস্টিকের যেকোন কিছু পানিতে ফেলে দিলে তা জলের স্বাভাবিক প্রবাহ বিনষ্ট করে, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। আর মাটিতে প্লাস্টিকজাত আবর্জনার কারণে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়, ভবনের ভিত্তি দূর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে ভূমিকম্প ছাড়াই ভবন-ধ্বসের সম্ভাবনা থাকে।

Nothing is absolutely harmful, it depends how you use it, where you use it.

প্লাস্টিক যখন পরিবেশবান্ধব
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×