এরমধ্যে ১. নিব্রাস ইসলাম নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটির ছাত্র।


২. মীর সাবিহ মুবাশ্বের স্কলার্স্টিকার ছাত্র। গত মার্চের 'এ' লেভেল পরিক্ষার আগে নিখোঁজ হয়।

৩.রোহান ইমতিয়াজ নামের ছেলেটিও স্কলার্স্টিকার সাবেক ছাত্র। বাবা-মার ছবির সাথে সনাক্ত করা হয়।

এখন মূল প্রশ্ন হলো এদের কেউ মাদরাসার ছাত্র নয়। এরা স্বনামধন্য স্কুল- কলেজের ছাত্র। এরা জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। আসলে, মাদরাসার ছাত্ররা জঙ্গিবাদের সাথে যুক্ত থাকেনা। ইসলাম সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকে মাদরাসা ছাত্রদের।
অন্যদিকে ইংলিশ মিডিয়ামের স্টাইলিশ ছেলেদের ইসলাম সম্পর্কে ধারনাই থাকেনা। তারা যখন ফ্রাসট্রেশন থাকে, তখন তাদেরকে ইসলাম ধর্ম বুঝিয়ে দেয়। যুদ্ধের মাধ্যমে রাজত্ব কায়েম করাই জিহাদ। এরকম ইসলামী মনোভাব তাদেরকে নতুন জজবা দেয়। তারা মনে করে, শান্তির জীবন পেয়েছে। আর তাদেরকে প্রস্তুত করা হয় এরকম মানুষ জিম্মি করার জন্য। যে যে কোরআনের আয়াত পারে, তাদের বাচিয়ে রাখে। আর বাকিদের নৃশংসভাবে হত্যা করে।
এটা তো ইসলাম নয়। ইসলাম কখনোই যুদ্ধকে সমর্থন করেনা।
আর মাদরাসার ছাত্রদের ইসলামকে উলটো বুঝিয়ে উগলিয়ে খাওয়াতে পারবেনা। এজন্যই হামলাকারীদের মাঝে কোন মাদরাসার ছাত্র ছিলোনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



