পুরে ভূমিকম্পের সময় ঢাকাসহ সারাদেশের মানুষ বাসভন বা অফিস ছেড়ে বাইরে বের হয়ে আসেন। এটা সচেতনতার অভাবে হয়েছে। ভূমিকম্পের সময় যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকবেন। বাইরে বের হলে বিপদ আরাে বেশি।
ইউএনডিপির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল প্রিয়.কমকে জানিয়েছেন, অফিসে খাকলে শক্ত কোন জিনিস যেমন টেবিল, খাট বা দড়জার নীচে আশ্রয় নিতে হবে। আর ভবনের কলাম ও বীমের সংযােগ স্থলে আশ্রয় নিতে হবে। ভবন ভেঙ্গে পড়লেও কলাম ও বীমের মাঝে ফাঁকা থাকবে যা আপনার জীবন রক্ষা করবে। কলাম ও বীমের এই ফাঁকা জায়গাকে বলে লাইফ ট্রায়াঙ্গেল। যা রানা প্লাজা ধসের সময় দেখা গেছে।
বাইরে বের হলে বৈদ্যুতিক খুটি, গাছ পালা, ভবনসহ আরো অনেক কিছু ধসে পরে আপনার জীবন বিপন্ন হতে পারে। কম্পন শেষ হওয়ার পর সিড়ি দিয়ে বাইরে নেমে খোলা জায়গায় গিয়ে আশ্রয় নিতে হবে। ভূমিকম্পের সময় এবং পরে লিফট ব্যবহার করা যাবেনা।
যারা বাইরে বা গাড়িতে থাবকেন তারা ভূমিকম্পের সময় যতদূর সম্ভব খোলা জায়গায় থাকবেন। ভবন, বৈদ্যুতিক খুটি, গাছ পালার কাছে থাকবেন না।
মাকসুদ কামাল জানান, সচেতনতার অভাবে আজকে অনেকই ভবন ছেড়ে রাস্তায় বের হয়েছেন যা ছিল চরম ঝুঁকিপূর্ণ। কম্পন শেষ হওয়ার পর ভবন থেকে নেমে গিয়ে খোলা জায়গায় অনেক্ষন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ ৭ মাত্রার ভূমিকম্প শেষ হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে আরো ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়
এনিয়ে ইউিটউবে অনেক ভিডিও আছে। তারই একটি দেখুন
সুত্র :

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


