
সহিহ হাদিসে বর্নিত হয়েছে, রমজানে একটি ভাল কাজ করলে তার বিনিময়ে সত্তুর গুন সাওয়াব দেয়া হয়। রমজান মাসে আপনি একবার দরুদ ও সালাম পাঠ করলে সত্তুর বার দরুদ ও সালাম পাঠের সাওয়াব লাভ করবেন।
এই মাসে দুই রাকাআত নফল সালাত আদায় করলে অন্য মাসের ফরজ সালাত আদায়ের সাওয়াব দেয়া হবে। এই মাসে একটি ফরজ কাজ করলে অন্য মাসের সত্তুরটি ফরজ আদায় করার সাওয়াব লাভ হয়।
এই মাসে পবিত্র কুরআন অনেকে পরম আগ্রহে খতম (সম্পূর্ন ৩০ পারা পাঠ) করে থাকেন। একবার মাত্র কুরআনুল কারীম এই মাসে খতম করার বিনিময়টা একবার চিন্তা করে দেখেছেন? সুবহা-নাল্লাহ! আপনি যেন সত্তুর বার পুরো ৩০ পারা কুরআনে পাক তিলাওয়াত করলেন! আল্লাহ রব্বুল ইজ্জত ওয়াল জালাল আপনাকে সত্তুর বার পুরো কুরআন তিলাওয়াতের সাওয়াব দান করবেন। আল্লাহু আকবার!
যাকাত আদায়ের উত্তম সময় রমজান মাস। বছরের অন্য যে কোনো মাসের যে কোনো সময়ের চেয়ে রমজান মাসে যাকাত আদায় করলে বহুগুন বেশি সাওয়াব লাভ করা সম্ভব। যাকাত যেহেতু আপনি অাদায় করবেনই। তো, বেশি সাওয়াব লাভের এই সুযোগ কেন হাতছাড়া করবেন? সুযোগ থাকলে পবিত্র মাহে রমজান থাকতে থাকতেই তা আদায় করে দিন।
রোজাদারদের ইফতার করালে কবুল রোজার সাওয়াব লাভ হয়। সাওয়াব অর্জনের নিশ্চিত এবং দারুন এই সুযোগ লাভ থেকে বিরত থাকা কোনো ক্রমেই ঠিক নয়।
সর্বশেষ, এই মাসে চারটি কাজ বেশি বেশি করার জন্য প্রিয় নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন। প্রথম দু'টি আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের জন্য। আর তা হচ্ছে- ১. বেশি বেশি কালিমা তাইয়্যিবার জিকির করা, এবং ২. বেশি বেশি তাওবা ইস্তিগফার করা। অপরাধ থেকে ক্ষমা লাভের আশায় বিনীতভাবে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
আর হাদিসের ভাষ্য, অন্য দু'টি কাজ করা ব্যতিত আমাদের গত্যান্তর নেই। সেই দু'টি কাজ হচ্ছে- ১. জান্নাত প্রাপ্তির জন্য আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছে বেশি বেশি ফরিয়াদ এবং রোনাজারি করা এবং ২. জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য তাঁর নিকট আশ্রয় প্রার্থনায় মশগুল হওয়া।
সর্বশেষ যে কথাটি বলতে চাই- প্রিয় নবীজীর নাম বলার বা শোনার পরে মুখে আমরা মুখে কিন্তু পুরোপুরি 'সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম' কথাটিই উচ্চারন করি। কিন্তু শাফিউল মুজনাবীন রহমাতুল্লিল আলামীনের মহিমান্বিত এই নামটি লেখার সময়ে বাধে বিপত্তি। তখন সংক্ষেপকরনের একটি বাতিক আমাদের মাথায় এসে হানা দেয়। আমাদের সময় কিংবা কালি-কাগজ বাঁচানোর হাস্যকর প্রচেষ্টা শুরু হয় তখন। আমরা (সা
আল্লাহ পাক আমাদের ক্ষমা করুন। রমজানের পরিপূর্ন ফায়দা লাভের তাওফিক দান করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
