somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতের বাংলাদেশ দখল ! আবু জুবায়ের

৩০ শে আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারতের বাংলাদেশ দখল ! আবু জুবায়ের

দিনে দিনে এটা খুব স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে ভারত নতুন সাম্রাজ্যবাদী শক্তি হিসাবে বিশ্বে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে । ভারত ধীরে ধীরে দক্ষিণ এশিয়াতে তাদের উপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠা করার দিকে খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে । কাশ্মীর , লাদাখ, সিকিম, অরুণাচল , লাগা-ল্যান্ডের অনেক অংশ , পাঞ্জাব , দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন অংশসহ ভারতের অভ্যন্তরীণ জাতিসত্তা সংক্রান্ত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা গণতন্ত্রের বিপরীতে স্বদেশে সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। ভারত কোনভাবেই একক জাতিগোষ্ঠী নিয়ে গঠিত কোন রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা নয় । বিভিন্ন জাতিসত্তার উন্মেষ রহিত করে এদেশের সৃষ্টি মূলত ব্রিটিশদের হাত ধরেই। নব্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ভারত উপমহাদেশে যেসমস্ত হিংসাত্মক ঘটনা গত ৫০-৬০ বছরে ঘটাতে পেরেছে তাঁর মধ্যে কয়েকটি হলো-
১। সিকিমের স্বাধীনতা রহিত করন
২। নেপালের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত এবং নেপালকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু করে রাখা
৩। ভুটানকে ভারতের অন্যতম পোষ্য রাষ্ট্র হিসাবে বশে রাখা
৪। শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধের নেপথ্যের কারিগর হিসাবে কাজ করা
৫। পাকিস্তানের সাথে আফগানিস্তানের বৈরি সম্পর্ক সৃষ্টি করা
৬। ফিজি, মরিশাস সহ বিভিন্ন প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ সমূহে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা
বাংলাদেশের সাথে -
৬। পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালীদের স্বাধীনতা না দিলেও পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে বের করে বাংলাদেশ এর সৃষ্টিতে মতলবি সহায়তা করা
৭। ১৯৪৭ সালের এই উপ মহাদেশ ভাগের সময় , পূর্ব পাকিস্তানে প্রাপ্য বিভিন্ন সামরিক , প্রত্ন তাত্ত্বিক , প্রাকৃতিক সম্পদ না দেওয়া
৮। দেশগুলোর মধ্যে সুষম পদ্ধতিতে ভৌগলিক সীমারেখা নির্ধারণ না করা
৯। জনসংখ্যার আনুপাতিক হার বিবেচনায় এনে সম্পদ ভাগাভাগি না করা
১০। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বাংলাদেশের প্রাপ্য আন্তর্জাতিক সহায়তা তহবিল ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ফেরত না দেওয়া
১১। আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে শেখ মুজিবের সাথে ২৫ বছরের দাসত্ব-চুক্তি করা
১২।শেখ হাসিনার সহায়তায় বিনাযুদ্ধে বাংলাদেশে ভূমি ও সম্পদে ভরপুর সাগর সোপান দক্ষিণ তালপট্টি ভারতের দখলে নিয়ে নেওয়া
১৩। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে বাফার স্টেট হিসাবে ঘোষণা দেওয়া
১৪। ভারতের চলচ্চিত্রের মাধ্যমে , সংবাদ পরিবেশনের উছিলায় ভারতের জনগণের কাছে বাংলাদেশ ভারতের ঔরসে জন্মগ্রহনকারি দেশ হিসাবে প্রচার ইত্যাদি।
ট্রানজিট বা ট্রান্সশিপমেন্টঃ জনগণের মেন্ডেট না নিয়েই ভারতের কাছে বাংলাদেশের যোগাযোগ অধিকার ছেড়ে দেওয়া হয়েছে । ভারত ইচ্ছা কোঁড়লে যেদিক থেকে খুশি সেদিক থেকে তাদের মালবাহী বা অস্ত্র-বাহী গাড়ী বাংলাদেশের মানচিত্র এফোঁড় ওফোঁড় করে নিয়ে যতে পারবে । মূলত ভারত সেভেন সিস্টার বলে পরিচিত দখলকৃত প্রদেশের স্বাধীনতাকামীদের সংগ্রামকে স্তব্ধ করার জন্য অস্ত্র সরবারাহের পথ এটি । এতে করে বাংলাদেশের জনগণের নিরাপত্তা নেই বললেই চলে । যেকোনো সময় বাংলাদেশের জনগণের প্রতিপক্ষ হিসাবে স্বাধীনতাকামীদেরকে দাড় করিয়ে দিতে পারে ভারত। গ্লোবালাইজেশনের নাম করে , উন্মুক্ত বাণিজ্যের নাম করে ভারত বাংলাদেশের বুক চিড়ে এসমস্ত করছে । কিন্তু বাংলাদেশ এক-ট্রাক মরিচের গুড়া নেপাল কিংবা পাকিস্তানে ভারতের ভূখণ্ড ভেদ করে পাঠানোর সক্ষমতা রাখে না । এমনকি শেখ হাসিনার উপদেষ্টা মশিউর রহমান বলে ফেললেন ভারতের কাছ থেকে কোন প্রকার মাশুল চাওয়া লজ্জার ব্যপার। আসলেই আমরা লজ্জা পাচ্ছি এই ভেবে যে ভারতের জন্য সব উন্মুক্ত করে দিয়ে ভারতের সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে আমাদেরকে হত্যা করা হচ্ছে।
ভারতের সাথে সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা চুক্তি:
সাংস্কৃতিক চুক্তির মাধ্যমে এদেশের সাংস্কৃতিক উৎসব ভারতের কোথাও না করা গেলেও পুরো স্টেডিয়াম দখল করে যোগ ব্যয়ামের মাধ্যমে জনগণকে ভারত শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কিভাবে চলবে এবং প্রকাশিত পাঠ্যবই কোথায় প্রকাশিত হবে সেটিও ভারত নির্ধারণ করে দেয়।
ভারতে প্রশিক্ষণের নামে ভারতের দালাল সৃষ্টি: বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের নামে ভারত বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদেরকে মগজ ধোলাই কার্যক্রম বেশ আগে থেকে শুরু করলেও বর্তমানে তা ন্যক্কারজনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে । বাংলাদেশের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমও ভারতের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় ।

ডিজিডিএফ আই এর অফিসের উপর কাদের অফিস: ডিজিডিএফ আই এর অফিসের উপর এবং সেনানিবাসে কাদের অফিস জনগণ জানতে চায়। সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড কি সেনাবাহিনীর হাতে আছে ? শাহরিয়ার কবীর টেলিভিশনের এক সাক্ষাতকারে বলে ছিলো বাংলাদেশে সেনা বাহিনীর কোন দরকার নাই। সুইজারল্যান্ডে তো কোন সেনাবাহিনী নেই।
গুলশানে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার তত্ত্বাবধায়নে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি:
গুলশানে আওয়ামী লীগের জন্য ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র নির্বাচন পরিচালনা বুথ তৈরি করেছে । বিএনপি যাতে ক্ষমতায় না আস্তে পারে এইজন্য এসমস্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে । এছাড়া বিএনপি যদি নির্বাচনে আসে তাহলে ৫০ আসনে ভারতের দালালদের মনোনয়ন তালিকা বিএনপির জন্য তৈরি। আগামী নির্বাচনে ৮০ শতাংশ ভারত-পন্থী বিএনপির এমপি জন্ম লাভ করতে পারে যদি না এই দল সচেতন না হয় ।
প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলে ভারতের এজেন্ট নিয়োগ: আওয়ামী লীগ , জাতীয় পার্টি আর জাসদ তিনটি দলই ভারতের দালাল রাজনীতি দল । জামাতে ইসলামীর জন্ম ভারতে আর জামাতে ইসলামীকে পাকিস্তানপন্থী বলে জোড় দাবী জানালেও এই দলটির উত্থান ভারত মনে প্রাণে চায়। বাদ থাকলো বিএনপি আর অন্যান্য প্রগতিশীল দলগুলো। এদের উপর বাংলাদেশের জনগণ ভরসা করতে চাইলেও দলীয় অভ্যন্তরীণ অনিয়ম ও বিশৃঙ্খল কার্যক্রম হতাশ করে বারবার। আর দলের মধ্যে বিভিন্ন এজেন্সি ওয়ার্ক করার জন্য এক দলের মধ্যে বহুদলীয় বিভাজন সংকটে আরও ফেলে দিচ্ছে। আরও আছে -
• এনার্জি রেগুলারিটি কমিশনে ভারতের লোক:
• সামরিক প্রশিক্ষণ ভারতের সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধায়নে:
• পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরামর্শক ভারতীয়:
• সাংবাদিক প্রশিক্ষণ ভারতের সাংবাদিক দ্বারা:
• বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও আইসিটি কমিশনের পরামর্শক ভারতীয়রা:
• ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে ভারতীয়দের হরিলুট:
• বিএসএফের বাংলাদেশী হত্যা:
• ভারতের পুলিশের বাংলাদেশে প্রবেশ করে অপরাধী গ্রেফতার:
• ভারতের রাষ্ট্রদূতের আওয়ামী লীগ প্রীতি:
• বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বাজার ভারতের নিয়ন্ত্রনেঃ
• বিশ্বের বাজারে বাংলাদেশের পাট শিল্প হত্যা:
• যৌথ প্রযোজনার নামে ভারতের চলচ্চিত্র বাজার সৃষ্টি:
• প্রেক্ষাগৃহে ভারতের চলচ্চিত্র প্রদর্শন:
• শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভারতের দখলে:
• কৃষি শিল্প ভারতের নিয়ন্ত্রনেঃ
• পুলিশের অস্ত্র, বুলেট ভারতের সরবরাহ করা:
• বিদ্যুতখাত ভারতের লুটপাট কেন্দ্র:
• দেশের তেল, গ্যাস ক্ষেত্র ভারতের নিয়ন্ত্রনেঃ
• বাংলাদেশের সমুদ্র সীমায় ভারতের নৌযান প্রবেশে বাধা নেই:
• বাংলাদেশের আকাশ দিয়ে ভারতের সামরিক বিমান চলাচল:
• কোন প্রকার আকাশ শুল্ক ছাড়াই আকাশ পথ ব্যবহার:
• শেখ হাসিনার নিরাপত্তা ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে:
• আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামে সহ আওয়ামী লীগের নেতাদের ভারত প্রেম
• সাবেক বাংলাদেশের ভারতীয় পানি সম্পদ মন্ত্রীর ঘোষণা – ভারতের কাছে পানি চাইতে সংকোচ হয় । ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিয়েছে তাদের কাছে কি আমরা কিছু চাইতে পারি । আর জল নিয়ে গেলেও কিভাবে বলি জল ফেরত দাও। আমাদের তো একটা চক্ষু লজ্জা আছে।
• বাংলাদেশের মিঠাপানি নিয়ন্ত্রণ- ইলিশের , মাছের বাজার ভারত নিয়ে নিয়েছে । মিঠা পানি বা লবণ পানি সবই এখন তাদের।
• স্বাস্থ্যখাত লুটেপুটে খাচ্ছে: আওয়ামী লীগ নেতা নাসিমের তত্ত্বাবধায়নে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতকে শেষ করে ফেলা হচ্ছে । ভারতের বিভিন্ন ওষুধের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের উপর। বিভিন্ন প্রতিশোধ টিকা সরবরাহ করেছে ভারত। এদেশের মাদক দ্রব্য সাপ্লাই করে তরুণ সমাজকে বিকলাঙ্গ করেছে।
• ২০০৬ সালের মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সরকারকে সমর্থন: ভারত ঘোড়া উপহার দিয়ে মঈনুদ্দীন আর ফখরুদ্দীনের সরকারের সমর্থন দিলো । ভারতের মাস্টার প্ল্যানিং অনুসরণ করে মঈনুদ্দীন সেনাবাহিনীর মাজা ভেঙ্গে দিয়েছে । আর ফখরুদ্দীন বুরোক্রেসী সামলেছে।
• ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা আনার জন্য সরাসরি হস্তক্ষেপ: ২০০৮ সালের নির্বাচনে পিনাকী বাবু পারলে আওয়ামী লীগের জন্য বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোট চাওয়া শুরু করেন । সেটি না পেরে নির্বাচন কৌশল তৈরি করে আওয়ামী লীগকে বুল মেজরিটি দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসে
• বিচারবিভাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য সারা বাংলাদেশের বিচারকের ভারতীয় বিচারক দ্বারা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা: সম্প্রতি ভারতের সরকার ঘোষণা দিয়েছে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সব বিচারপতিদেরকে প্রশিক্ষণ দেবে ভারত। তাহলে আর বাকী থাকে কি?
• বিডিআরএ হত্যাকাণ্ড এবং ভারতের সংশ্লিষ্টতা: বি ডিয়ার হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফার্স্ট লাইন প্রটেকশনকে ভারত ভেঙ্গে দেয় যাতে করে সীমান্তে হাজার হাজার মানুষ মেরে ফেললেও বিডিয়ার একটা গুলীর মোকাবেলা না করতে পারে। বাংলাদেশের ফার্স্ট লাইন নিরাপত্তা নাই, সেকন্ড লাইন নিরাপত্তা নাই, থার্ড লাইন নিরাপত্তা সেনাবাহিনী শত্রু খুঁজে পাচ্ছে না । শত্রু ছাড়া সেনাবাহিনী কি থাকতে পারে? পুলিশের প্রশিক্ষণ ভারতের হাতে । আর কি দরকার ! অন্ন, বস্ত্র শিক্ষা , ভূমি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, ধর্ম, যোগাযোগ, বাণিজ্য , অর্থনীতি, রেমিটেন্স সব তো ভারতের । বাংলাদেশ আর কোথায় আছে?

সচেতন বুদ্ধিজীবীদের প্রধান প্রধান ইস্যু কি ?
উন্নয়ন আগে গণতন্ত্র পরে এই শিরোনামে সেমিনার করা। ভারতে গরু হত্যার প্রতিবাদ করা? শেখ রেহানার মেয়ে ইংল্যান্ডের এমপি নির্বাচিত হওয়ার গল্প নাকি শেখ হাসিনার দক্ষিণ দক্ষিণ পুরস্কারের মাধ্যমে ভারতের জন্য “দখিন হাওয়া” আরো স্নিগ্ধ-ভাবে প্রবাহিত করা।
বাংলাদেশের সব নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত। রাজনীতি থেকে শুরু করে সমরনীতি , তথ্য পরিবেশন থেকে সৃজনশীলতা সব কিছু। নিয়ন্ত্রণ কাশ্মীর এর থেকে কঠিন পরিণতির দিকে যাচ্ছে ১৯৭১ সালের জনযুদ্ধের মাধ্যমে পাওয়া বাংলাদেশ । মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নেই বললেই চলে। রাজনৈতিক দলগুলো এখনো ক্ষমতায় যাওয়া বা থাকার চেষ্টায় ব্যস্ত কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার গঠন কি আর সম্ভব । বাংলাদেশের সরকার গঠন করে দেয় ভারত । আগে কিছুটা শিথিল থাকলেও এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশের জনগণের জাতীয়তাবী ভাবনাকে নষ্ট করা ফেলা হয়েছে ধীরে ধীরে । এদেশির দালাল আর নব্য মীরজাফরদের জন্য এই উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরাতন জাতিসত্তা হওয়া সত্ত্বেও এদেশেরর মানুষ এখন ভারতের অন্যতম অঙ্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে শেখ হাসিনার হাত ধরে ।
শেখ হাসিনার দেশপ্রেম তাঁর বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধের সাথে সম্পৃক্ত। মেকী, লোক দেখানো, ভণ্ড আর শঠ রাজনীতির প্রবর্তক শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তাঁর কোন দায়বদ্ধতা আগেও ছিলো না এখনো নাই। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোতেও ভারতের এজেন্ট ঢুকে পড়ায় এদেশের জনগণের ভাগ্যাকাশে দুর্যোগের মহা ঘনঘটা দেখা দিচ্ছে । বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এতটাই দুর্বল এবং নতিস্বীকারমূলক যে মেরুদণ্ড শক্ত করে রাজনীতি করার প্রতিভা খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
কবি, গবেষক
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:০১
৮টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আশা রাখি: কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হবেন

লিখেছেন অপলক , ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৪০



আমার দেখা সকল রাষ্ট্রপতিগন ছিলেন ডায়াবেটিকস রোগীদের মত। যাদের রাজনৈতিক জীবনীশক্তি ছিল না বললেই চলে। প্রধানমন্ত্রীর অলিখিত আজ্ঞাবহ মাত্র। ফর্মালিটি আছে কিন্তু কাজের স্বকীয়তা ছিল না। কোন আইকোনিক ডিসিশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৫৬৩৫-৩৬

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৯

মন কথনিকা-৫৬৩৫
খেতে খেতে গেল জীবন, নজর যে নাই স্বাস্থ্যের পানে
খেয়ে গেছি যা পেয়েছি, যা পেয়েছি বামে ডানে
বাড়লো চর্বি, কমলো যে জোর, শান্তি হারাই পদে পদে
এই না জীবন পার করতে চাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত ৮ টায় বিপণিবিতান-দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ | দেশজুড়ে বইছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৩৫



দেশজুড়ে বহু বহু করে বয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস, চারিদিকে পতপত করে উড়ছে গণতন্ত্র নামক শান্তির পতাকা- সারা বংলায় এমন শান্তিময় পরিবেশ স্বাধীনতা পরবর্তীকালের ইতিহাসে আর দেখা যায়নি কখনো; এরই ধারাবাহিকতায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বাষ্ট্রপতি নির্বাচন নাকি রাষ্ট্রীয় খরচে তামাশা!!!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)


নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×