নৃশংস হামলা চালিয়ে ঢাকায় গতকাল শনিবার ফয়সাল আরেফিন দীপনকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু এই হত্যার বিচার চান না ফয়সালের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও লেখক আবুল কাসেম ফজলুল হক। কিন্তু কেন বাবা হয়ে ছেলের হত্যার বিচার চান না? এ বিষয়ে একটি অত্যন্ত উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি নিবিড়ভাবে যাচাই করে সম্ভাব্য কয়েকটি কারন খুজে পেয়েছে।
১) তিনি বুঝতে পেরেছেন ,এক অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ সামান্য ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে কাউকে বিব্রত করতে চান নাই। এতে উন্নয়েনের এই গতি ব্যহত হতে পারে।
২) তার ছেলে নিহত ফয়সাল আরেফিন দীপন জিয়া স্মতি পাঠাগারের সহসভাপতি ছিলেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত একজন নিবেদিত সংগঠক ছিলেন। আর মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকারের বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত জিয়াউর রহমান ছিলেন রাজাকার ও আই এস আই এর চর। যে জিয়া স্মতি পাঠাগারের সহসভাপতি , সেও অবশ্যই রাজাকার ও আই এস আই এর চর। জানেনই তো বাংলার মাটিতে রাজাকারের ঠাঁই নাই। এরকম রাজাকারের মরাই উচিত।
৩)তিনি বুঝতে পেরেছেন, কোনো একজন নির্দেশ না দিলে ,বিচারতো দুরের কথা, কাউকে গ্রেফতারও করা যায় না। তাই তিনি তার নির্দেশের অপেক্ষায় আছেন।তার নির্দেশ আসলেই তিনি বিচার চাইবেন।
৪)তার ছেলেতো অনেকদিন বেচেছেন।এখনতো মায়ের পেটেই গুলি করে-লাথি মেরে মারা হয় । সেদিক থেকে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেছেন।
উপরের লেখা যারা পড়েছেন,তারা এবার লেখায় থুথু মেরে নিচে এক বাবার অসহায় আর্তনাদ পড়ুন।আর নিজের মাথা নিজেই দেয়ালে ঠুকুন।
ছেলে হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ক্ষুব্ধ, হতাশ এই বাবা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি কোনো বিচার চাই না। আমি চাই শুভবুদ্ধির উদয় হোক। যাঁরা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নিয়ে রাজনীতি করছেন, যাঁরা রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন, উভয় পক্ষ দেশের সর্বনাশ করছেন। উভয় পক্ষের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। এটুকুই আমার কামনা। জেল-ফাঁসি দিয়ে কী হবে।’
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



