somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওরাও মানুষ ওদের পাশে দাড়ান

০৬ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১০:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি ও আমার তিন বন্দু কোথাও যাবার জন্য দারিয়ে আছি সায়েদাবাদে হানিফ বাসএর কাউন্টারে, এমন সময় ৭-৮ বছরের একটি মেয়ে আমাদের কাছে এসে বলল, “ভাই দুইডা টাহা দেন কিছু খামু” তার অবস্তা দেখে আমাদের মায়া হল, তাকে জিঙ্ঘাসা করলাম, তোমার বাবা নাই, সে বলল “মায় আরেক লোকের সাথে চইল্লাগেছে, হেরপর আব্বা আরেক বিয়া করছে, আব্বা হের লগে আমারে থাকতে দেয় না আমি দাদির লগে থাহি, দাদি মাইনষের বাসায় কাজকরে ’’।

মেয়েটির নাম পূর্নিমা, প্রতিদিন বারছে পূর্নিমারমত পথশিশুদের সংখ্যা। আমরা তিন জনে মিলে তাকে ৪০ টাকা দিলাম। কিন্তু এটাই কি সমাধান, এদের জন্য আমাদের সমাজ, সরকার ও বৃত্তশালীদের কি কিছুই করার নেই? সরকারিভাবে এদের পর্যবেক্ষনের কোন ব্যবস্থা আছে কিনা আমার জানা নেই।

বাংলাদেশের প্রায় সবকটি জেলায় “সরকারী শিশু পৃর্নবাসন কেন্দ্র রয়েছে এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এর পরেও কেন রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশে অবিভাবকহীন হাজার হাজার পথশিশুদের দেথা যায়। যাদের না আছে খাবার কোন ব্যবস্থা আর না আছে থাকার কোন নিশ্চয়তা। এদের দূর্বলতাকে ব্যবহার করছে আবার আপরাধী চক্র- মাদক পাচার , ছিনতাই, মানুষের বাসাবারিতে চুরি, টাকার লোভ দেখিয়ে মানুষ হত্যা এবং ভিবিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপে এদের ব্যবহার বারছে দিন দিন।এছারা পথশিশুদের মধ্যে প্রায় সবাই কোন না কোন ভাবে নেশাগ্রস্ত। পরবর্তিতে এরাই আবার জরিয়ে পরে বড় বড় সন্ত্রাশি কর্মকান্ডে।

তাই যত দ্রুত সম্বব পথশিশুদের পৃর্নবাসনের ব্যবস্থা করে এদের সংখ্যা শুন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে হবে। এজন্য সরকারকে এদের পরিসংখান তৈরি করে পর্যায়ক্রমে সকল পথশিশুকে পৃর্নবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপশি বিভিন্ন সংগঠন ও বৃত্তশালিদের এগিয়ে আসতে হবে এবং কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

সমাজের প্রত্যেকটি মানুষকে মানবিক কারনে এদের পাশে এসে সাহাস্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। তবেই সম্ভব এই সমস্যার সমাধান করে স্বর্নিভর বাংলাদেশের সপ্ন বাস্তবায়ন করা।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীকে এতো ভয় কেন?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:১৪

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীকে এতো ভয় কেন?
--------------------------------------------------------------------
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিকে কেন্দ্র করে ইউপিএলের বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে তালা, কর্মীদের আটকে রাখার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ
একটি বইকে কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Extra Long - Dual Coverage!

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।

সমস্যা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×