রকটটা নিয়ে যে চিন্তাটা ছল, ক্রমেই সেটা দূর হচ্ছে । যাবার দিন যত এগিয়ে আআসছে, ততই মনে জোর পাচ্ছি, উৎসাহ পাচ্ছি ।
এখন মনে হচ্ছে যে প্যথমবারের কেলেন্কারিটার জন্য একমাত্র প্রহ্লাদই দায়ী । ঘড়িটার দম দিতে গিয়ে সে যে ভুল করে কাঁটাটাই ঘুরিয়ে ফেলেছে তা আর জানব কী করে । এক সেকেন্ড এদিক ওদিক হলেই এ সব কাজ পন্ড হয়ে যায় । আর কাঁটা ঘোরানোর ফলে আমার হয়ে গেল প্রায় সাড়ে তিনঘন্টা লেট । রকেট যে খানিকটা উঠেই গোৎ খেয়ে পড়ে যাবে তাতে আর আশ্চর্য কী ?
রকেট পড়ায় অবিনাশবাবুর মুলোয় ক্ষেত নষ্ট হওয়ার দরুন ভদ্রলোক পাঁচশো টাকা ক্ষতিপূরণ চাইছেন । একেই বলে দিনে দুপুরে ডাকাতি । এ দিকে এত বড় একটা প্রচেষ্টা যে ব্যর্থ হতে চলেছিল তার জন্য কোনও আক্ষেপ বা সহানুভুতি নেই ।
এই সব লোককে জব্দ করার জন্য একটা নতুন কোনও অস্ত্রের কথা ভাবা দরকার ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





