somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যানজট নিরসনে স্কুলগলোকে স্কুল বাস চালু করতে বাধ্য করুন

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যানজট নিরসনে যে সকল উপায়ের আশ্রয় নেওয়া হয়ে থাকে সাধারণত সেগুলো হল, নতুন রাস্তা নির্মাণ, একসিস্টিং রাস্তার প্রস্থ বৃদ্ধি, বাস সার্ভিস কিংবা ট্রেন সার্ভিস চালু করা। ইদানিং উল্লিখিত উপায়গুলো ব্যয়বহুল হয়ে পরায়, নগর পরিকল্পনাবিদরা উন্নত বিশ্বে, সকালের যানজট কমানোর জন্যে কিভাবে সকালের কিছু ট্রিপ দিনের অন্যান্য সময়ে ডাইভার্ট করা যায় কিংবা কিভাবে ট্রিপের সংখ্যা কমানো যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

ঢাকার রাস্তায় সকালবেলা (মর্নিং পিক আওয়ারে) যে সকল কারনে মানুষ যাতায়াত করে তার অন্যতম দুটি কারন হচ্ছে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার জন্যে এবং স্কুল এ যাওয়ার জন্যে। ঢাকার বেশিরভাগ স্কুলেই স্কুল বাসের কোন ব্যবস্থা নেই যার ফলে স্কুলের বাচ্চাদেরকে গাড়ীতে করে কিংবা রিক্সা অথবা সিএনজিতে করে স্কুলে যেতে হয়। অনেক অভিভাবক একা একা সন্তানকে ছেড়ে দিতে সাহস পান না, বিধায় তারা তাদের সন্তানকে স্কুলে দিয়ে যান এবং ছুটি হলে আবার নিয়ে আসেন।

ঢাকার সব স্কুলগুলোতে যদি স্কুল বাস থাকতো তাহলে অভিভাবকদেরকে তাদের সন্তানদেরকে দিয়ে আসতে কিংবা নিয়ে আসতে হতো না। এর ফলে অনেকগুলো ট্রিপ কমে যেতো। আবার স্কুল বাসের ব্যবস্থা থাকলে অনেকগুলো ট্রিপ একটা ট্রিপে পরিণত হতো। যেমন আগে যেখানে ৮টা বাচ্চা প্রত্যেকে আলাদা আলাদা রিক্সাতে স্কুল গেলে আটটা ট্রিপ হতো, সেই আটটা বাচ্চা একটা স্কুল বাসে করে স্কুলে গেলে আটটার যায়গায় মাত্র একটা ট্রিপ হবে। অর্থাৎ অনেকগুলো ট্রিপ কমে যাবে।
যেহেতু ট্রেন সার্ভিস চালু করা কিংবা নতুন রাস্তা নির্মাণ করা ব্যয়বহুল এবং সময় সাপেক্ষ তাই আমি মনে করি ঢাকার যানজট নিরসনে স্কুল বাস উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখতে পারবে।

সরকারকে স্কুলগুলোকে স্কুল বাস চালু করার জন্যে আইন করতে হবে যাতে স্কুলগুলো তা মানতে বাধ্য হয়। এছাড়াও স্কুলের ১০০০ ফিটের মধ্যে কোন প্রাইভেট কার, রিক্সা কিংবা সিএনজি পার্কিং, অথবা থামতে দেওয়া যাবে না যাতে করে অভিভাবকরাও বাধ্য হয় স্কুল বাসে করে তাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে। আমার বিশ্বাস এর মাধ্যমে কিছুটা হলেও যানজট কমবে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অন্তর্দহনের ওপারে প্রশান্তি

লিখেছেন মুহাম্মদ তমাল, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৫৩



প্রিয় আকাশ,
মাঝে মাঝে তোমার দিকে তাকিয়ে মনে হয়, তুমিই সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে নিঃশব্দ প্রাঙ্গণ। তাই আমার সমস্ত অভিযোগ, অনুযোগ, ক্ষোভ, দীর্ঘশ্বাস আর অব্যক্ত আর্তনাদ তোমার দিকেই ছুড়ে দিই। তুমি নির্লিপ্ত,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দক্ষিণ কোরিয়ার 'নতুন গ্রাম আন্দোলন'

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:২৭



বাংলাদেশের উন্নতি হতে হলে, গ্রামগুলোর উন্নয়ন ছাড়া উপায় নাই। গত ৫৬ বছরে আমাদের দেশের গ্রামবাসীদের উন্নয়ন খুবই কম হয়েছে। সেখানকার মানুষ অবহেলার সম্মুখীন হয়ে নিম্ন সেলারির জব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩২

বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?

বাকস্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক অধিকার। কিন্তু বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলা নয়; অন্যের সম্মান, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে উপেক্ষা করারও নাম নয়।

কোনো ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠী বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবার সমস্যা, ব্লগ আমাকে কেন ভোগাচ্ছে?

লিখেছেন মেহবুবা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি ইরানের নতুন শত্রু হতে চলেছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৬


মরুভূমির গরম বাতাস আর লোহিত সাগরের নোনা জলীয় বাষ্প যেখানে এসে মেশে, বাব এল মানদেব প্রণালীর সেই জায়গাটায় রাতের অন্ধকার নামলেই একটা অদ্ভুত নীরবতা ছেয়ে যায়। কিন্তু সেই নীরবতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×