somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কাল মুক্তাঙ্গন হবে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আরেকটি লড়াইয়ের ক্ষেত্র, আসুন সবাই যোগ দিই(রিপোস্ট, রিপোস্টে কারো বিরক্তি উৎপাদন করলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত)

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আগামীকাল ১০ তারিখ তেল-গ্যাস-বিদু্ৎ-বন্দর ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটির আরেকটি বড়ো কেন্দ্রীয় প্রোগ্রাম, সকাল ১১টায় ঢাকার পল্টনের মুক্তাঙ্গন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা।
আমার ধারণা, এটি শুধু একটা রুটিন প্রোগ্রাম নয়, আমাদের এই দেশের জনগণের নতুন রাজনৈতিক পরিচয় নির্মাণের একটা গুরুত্বপূর্ণ ধাপও বটে। আপনারা দেখুন, বর্তমান সরকার আর তার আগের বিএনপি সরকার - এরা মার্কিন-ভারত সাম্রাজ্যবাদের এতই পদলেহী যে, যে সাম্রাজ্যবাদের হাতে ২ বছর আগেই এদের চরম হেনস্থা হয়েছিল, যে সাম্রাজ্যবাদ এদেরকে রাজনীতি থেকে বাদ দেয়ার সব রকম চেষ্টাই করেছিল, সেই সাম্রাজ্যবাদেরই নিয়ন্ত্রণে আবার দেশের সম্পদ পাচারের উদ্যোগ নিতে বর্তমান সরকারের কোন সমস্যাই হচ্ছে না। এরা দেশের শিল্পের বিরোধী (গ্যাস-কয়লা ছাড়া যেহেতু দেশের শিল্পের বিকাশ সম্ভব নয়), দেশের সার্বভৌমত্বের বিরোধী (সম্পদের উপর নিয়ন্ত্রণহীন দেশ সার্বভৌমত্বের দাবিদার-এটা নেহাত ভাঁওতাবাজি), আত্মমর্যাদাশূন্য এক সরকার। হামিদ কারজাই সরকারের সাথে এদের খুব বেশি পার্থক্য আছে বলে আমার আসলেই মনে হয় না। এদের বদলে জাতীয় সার্বভৌমত্ব অর্জনের নতুন রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাব তাই আজ অনেক জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই সরকারের পক্ষে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করাও সম্ভব নয়। কারণ যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ১৯৭১এর যুদ্ধাপরাধের মূল পরিকল্পনাকারী, তার আজ্ঞাবহ থেকে এই গণহত্যার বিচার করা তাদের পক্ষে শ্রেণীগতভাবেই অসম্ভব বটে।
জনগণের আগামীকাল এক আক্রমণাত্মক সমাবেশ যে সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী জনগণের মুক্তিকামী শক্তির বিকাশকে দ্রুততর করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই অাসুন, কাল ১১টায় মু্ক্তাঙ্গনে জড়ো হই, নতুন মুক্তিযুদ্ধের ভিত রচনা করি, তৌফিক এলাহী-আইনুন নিশাত-ম.তানিম সহ আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যস্থ সাম্রাজ্যবাদের দালাল তথা নয়া রাজাকার-আলবদরদের কবর তৈরির কাজ শুরু করি। ঈদের আগে কালকের দিনটা সকাল ১১টায় সব জরুরি কাজ বাদ রাখি, মুক্তাঙ্গনে জড়ো হই। আওয়ামী 'দিনবদল' নয়, সত্যিকার দিনবদলের সূচনা করি।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৪
১৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

চর্যাপদঃ বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য

লিখেছেন কিরকুট, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৮

চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত হলেও, এর ভাষা ও উৎস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই পদগুলি আবিষ্কার করেন এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×