সম্প্রতি জাতীয় পার্লামেন্ট নিয়ে টিআইবি যেসব রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাহা সম্পূর্ণ ভিত্তীহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কারণ একটি সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে জনগণই সকল ক্ষমতার অধিকারী। তারা যাকে নির্বাচন করবে তারাই দেশের ক্ষমতা ও একক কতৃত্বের বলে বলিয়ান হয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটাই সবার ্প্রত্যাশা। তেমনি আমাদের দেশের সরকার সেই পথেই হাঁটছে। এবং জনগণের কল্যাণের জন্যই পার্লামেন্টে তাদের কার্যবিধি সম্পন্ন করবে কিন্তু এখানে টিআইবির নাক গলানোর কি আছে?
বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে যে, টিআইবি নিজেই দুর্নীতিগ্রস্থ সেই দুর্নীতিগ্রস্থকে ঢাকার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগে আছে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালক বৃন্দ যেসব দুর্নীতি করেছে তাহা দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে তথ্য রয়েছে। ফলে টিআইবি খুব চাপে থাকার কারণে তারা আজগুবি ও অভিন্ন তথ্য প্রকাশ করছে।
জানা গেছে বিরোধী দল বিএনপি’র কাছে থেকে সুযোগ সুবিধা ভোগ করার জন্য নতুন এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এছাড়া মানবাধিকার সংগঠনের নামে দেশ বিদেশ থেকে বিভিন্ন অনুদান মানবাধিকারের নামে এনে তার নিজেরাই ভক্ষণ করছে। এহেন পরিপ্রেক্ষিতে তাদের এত আস্ফালন। তাদের এ আস্ফালনকে দূরীভূত করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতীব জরুরী।
রাজনৈতিক কর্মীদের ত্যাগ ও সংগ্রামকে হেয় করতে এসব ফালতু রিপোর্ট করা হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ অসংখ্য দেশে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয় ব্যয়ের হিসেব দিতে হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে এই হিসাব দেওয়া হয়। টিআইবির মনগড়া এ রিপোর্ট ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
রাজনীতিকে অপদস্থ করাই একশ্রেণীর মানুষের কাজ তবে তারা আবার রাজনৈতিক সুবিধা ঠিকই নিয়ে থাকেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




