somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আগে তুমি মানুষ হও, নেত্রী হও পরে

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৮:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সদা পরিবর্তনশীল এই সমাজে মায়ের ভালোবাসাই অপরিবর্তনীয়। মায়ের ভালবাসার কোনো সীমা নেই, বয়স নেই, স্থান নেই, সময় নেই, কমতি নেই। সন্তান বড় হচ্ছে, মায়ের ভালবাসায় পরিবর্তন নেই, সন্তান বুড়ো হচ্ছে মায়ের ভালবাসার পরিবর্তন নেই। মায়ের ভালবাসা চির অম্লান, চির অতুলনীয়, চির জাগরুক- একথা সার্বজনীন, শাশ্বত আর চির অপরিবর্তনীয়।

আজ আমি মায়ের ভালবাসারই এক ভিন্নরূপের চাক্ষুস অভিজ্ঞতার কথা জানাবো।
আমি তখন ঝিনেদা শহরে একটা এনজিওর চাকুরে। থাকতাম অফিস মেসে আরও দুজন কলিগের সাথে। আমরা প্রতিদিনই খেতে যেতাম অনেকটা হেঁটে, হয় নতুন বাস স্টান্ডে, নাহয় পুরাতন ডিসি অফিসের কাছে একটা হোটেলে। তবে বেশিই যেতাম ডিসি অফিসের কাছের হোটেলটিতে মালিকের নামটা ভুলে গেছি এখন। ধোপাঘাটা ব্রিজের কাছে অফিসে ফিরতে মিনিট পনেরো’র মতো সময় লাগে। এই হোটেলের মালিক লোকটি সব সময়ই দেশীয় মাছ-সব্জি আর দেশীয় রান্নায় ক্রেতাদের খাওয়াতেন।
একদিন দুপুরবেলা, ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসের কোনো একদিন হবে। আমি একাই খেতে গিয়েছিলাম। খাওয়া শেষ, ঘরে ফিরব। হোটেল থেকে বের হতে গিয়ে দেখি প্রচন্ড রোদ্দুরে চারদিক খা খা করছে। একান্তই অপরিহার্য প্রয়োজন ব্যতীত লোকজন খুব একটা বাইরে বেরোয় না, এ রকম রোদ্দুরে। তাপে রাস্তার পিচ গলে পথচারীর জুতোর তলায় লেগে হাঁটার সময়ে চট চট শব্দ হচ্ছে। অফিসে না ফিরে কাছেই ডিসি অফিসের সামনে, গাছ তলায় গেলাম একটু খোলা বাতাসের আশায়। ঠান্ডা হাওয়ায় একটু জিরোবে ভেবে গিয়ে যা পেলাম তাতে কলজেটা এতটাই তৃষ্ণার্ত হয়ে গেল! যে তৃষ্ণা বোধ করি এই জনমে আর মিটবে না।
আমার মায়ের বয়সী, ষাটোর্ধ, পুরু কাঁচের চশমা পড়া মলিন পোশাকের এক মহিলা। বাঁকা লাঠিতে ভর দিয়ে হেঁটে হেঁটে এসে একটা দুই কিংবা আড়াই মাস বয়সী লাল বাছুরকে আমি যে গাছটির তলায় দাঁড়িয়েছিলাম, সেটার পাশের গাছটিতে বেঁধে এদিক ওদিক উদ্ভ্রান্তের মতো করে কী যেন খুঁজে চলছেন। আর অস্পষ্ট শব্দে বলছেন, “হায় আমার বুড়ি, আহারে বুড়ি, ওরে বুড়ি, তুই আমারে রেখি কই গেলি”? ভদ্র মহিলা একা একা কথা বলছেন, এ দেয়াল-সে দেয়াল, আড়াল আবডাল যদ্দুর পারছেন তার বুড়িকে খুঁজছেন আর চশমা তুলে বার বার চোঁখ মুছছেন। একটু খুঁজেই বার বার তিনি বাছুরটির কাছে ছুটে আসছেন, গায়ে পরম মমতায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন, বাছুরটিও তাঁর গা চেঁটে দিচ্ছে। আবার মহিলা একটু চোঁখের আড়াল হতেই বাছুরটি অস্ফুট শব্দে এম্মা-আ-আ এম্মা-আ-আ বলে ডাকছে। আমি মহিলার প্রতি বাছুরটির ভালোবাসা আর বাছুরটির প্রতি মহিলার মমতা দেখে আপ্লুত হয়ে না হয়ে পারলাম না। নিজের অজান্তেই চোঁখে জল চলে এলো। আমি মহিলার কাছে গেলাম, গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “খালা, কি হয়েছে আপনার? কাঁদছেন কেন? খুঁজছেন কাকে”?
আমার প্রশ্ন শেষ না হতেই তিনি চৌগুণ শব্দে, হাউ মাউ করে কেঁদে যা বললেন! কি যে চাপা কষ্টে তাঁর বুকের ভেতরটা উথাল-পাথাল হচ্ছিল, না দেখলে তা ভাষায় প্রকাশ করে কারোর অনুভুতিতে পৌঁছানো আমার পক্ষে সম্ভব না। মাতৃস্নেহ কত গভীর হতে পারে তা বোধ করি সেদিনটির আগে কোনো দিন আমি বুঝিনি। বোঝার চেষ্টাও আমার করা হয়নি। কারণ কোনো জিনিসের শুন্যতা কারো কাছে তৈরী না হলে তার অপরিহার্যতা কেউ কোনদিনই বুঝতে পারেনা। আমিও অবারিত মাতৃস্নেহ উপভোগ করতাম বলেই হয়তো এর গভীরতা সম্পর্কে সেদিনের আগে কোনদিন সেভাবে ভাবিনি। দিনটি আমার কাছে জীবনকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। আমি নিজেকে, নিজের জীবনকে নতুন করে গড়তে চেষ্টা করেছি। দিনটি আমার কাছে চরম ব্যথাতুর দিনগুলোর একটা। দিনটি আমাকে এখনও সমান দহিত করেছে। আজও যখন মহিলার করুন কান্না আর আর্তনাদ চোঁখের সামনে ভেসে ওঠে আমি বোবা কান্নায় সিক্ত হই।
এবারে পরের অংশে আসি। মহিলা দুই কন্যা সন্তানের জন্মদাত্রী। কোনো পুত্র সন্তান না থাকার কারণে গ্রামে যেটুকু জমি জিরেত ছিলো, নিঃশেষ করে মেয়েদের বিয়ে সাদী শেষ করেছেন পূর্বেই। তারা সবাই নিজ নিজ সংসারে কষ্টে ক্লেশে দিন যাপন করছে। তারা তাদের মতো করেই চলছে। মেয়ে-জামাইরা খোঁজ রাখেন না। নিজের কাঠ মিস্ত্রী স্বামী আর আগের মতো শক্তি দিয়ে কাজও করতে পারেন না। কারো গলগ্রহ না হয়ে, জমি বিক্রির অবশিষ্ট টাকা আর স্বামীর রোজগারের উদ্বৃত্ত থেকে বছর তিনেক আগে, এই বাছুরটি মা গরুটাকে আর একটি বাছুরসহ কিনেছিলেন তেইশ হাজার টাকা খরচা করে। দশ-বারো কেজির মতো দুধ দিত গরুটা, তা বেচেই দিন চালাতেন এই বুড়ি আর তাঁর স্বামী। দুধ বিক্রি করতে সুবিধে আর গরুকে যত্ন আত্তি ওষুধ পত্তর করতেই দুটো চালা দিয়ে একটা ঘর বেঁধেছিলেন ভরাট হয়ে যাওয়া খাল ধারে, সরকারি জমিতে। একপাশে গরু দুটো থাকত, অন্যপাশে নিজেরা। স্রোতহীন খালের বুকে জেগে ওঠা চরে উদয়াস্ত গরুকে ঘাস খাওয়াতেন দুধ বেশি পাবার আশায়। সকাল বিকাল দু বেলায়ই দুধ দিত গরুটি। দুমাস আগে আগের বাছুরটি বেচতে হয়েছে। বেচতে হয়েছে, স্বামীর চিকিত্সার জন্য হয়ে যাওয়া বেশ কিছু হাওলাত শোধ দেবার জন্য। হাওলাত শোধ দেওয়া হয়েছে ঠিকই, তবে স্বামীকে আর বাঁচানো যায়নি, তিনি গত হয়েছেন ঊনিশ দিন হলো।
গত পরশুদিন বিকেলে দুধ দুইয়ে, গরুটি ঘরের কাছেই বেঁধে রেখে নিজে গেছেন বাজারে দুধ বিক্কিরি করতে। দুধ বেচতে দেরী হওয়াতে ঘরে ফিরে আসতে খানিকটা রাত হয়েছে। ফিরে এসে দেখেন নিজে যেখানে গরুটি বেঁধে রেখে গিয়েছিলেন, সেখানে আর গরুটি নেই। বাছুরটি শুধু এম্মা-আ-আ এম্মা-আ-আ বলেই চিতকার করছে আর লেজ উচিয়ে মহিলা যেদিক যেদিক যাচ্ছে, সেদিক সেদিক তাঁর পিছন পিছন দৌড়াচ্ছে। গত দুদিন হয়ে গেলেও গরুটির কোনো খোঁজ পাননি। এদিকে বাছুরটি এখনও পুরোপুরি ঘাস ধরেনি। গত দুদিন শুধু নরম করে, দুধের মতো করে ভাত রেঁধে বার দুই জোড় করে গিলিয়ে দিয়েছে। মাতৃশোকে লাল ফুটফুটে বাছুরটির চোঁখ দিয়েও থেকে থেকে জল ঝরছে। ডাকতে ডাকতে স্বর ধরিয়ে ফেলেছে। মহিলা কাঁদছেন আর বিলাপ করছেন; “বুড়িরে নাম ধইরা ডাকলেই হেয় যেহানে থাইকতো ছুইটা আইত, আইজ দুইদিন ধইরা ডাকতাছি, বুড়ি আর আসেনা। টিপাই কইছে তোমার বুড়ি আর আইবো না। হেয় “হজম” হই গিছে। আমি এহন এই লালুরে কেমনে বাচামু? ও খোদা তুমি আমার সব কাইরা নিলা? আমি কী এত গুনা করছি তোমার দরবারে? আমারে বুড়িরে ফেরত দেও, খোদা। আমি কেমনে বাচমু, আমার পুঁজি শ্যাস। আমার আর পুঁজি নাই।”
আমি সান্তনার ভাষা হারিয়ে ফেলি। তাঁর কান্নার আগুনে জল দিতে চেষ্টা করে খালা থেকে “আম্মু” আর আপনি থেকে “তুমি” তে চলে গিয়ে বলেছিলাম,” আম্মা, দেইখো তোমার বুড়ি ঠিক-ই আইবো।”
আম্মা আমার চটুল সান্তনা বুঝে গিয়ে বলেছিলেন, “আমিও তো তাই ঘুইরা ঘুইরা খুজতাছি আর খুজতাছি, আল্লাহ, তুমি বড় মেহেরবান, আমার গুনা মাফ কইরা দেও। আমার গুনা মাফ কইরা দেওগো আল্লাহ, আমার বুড়িরে আমার কাছে ফিরাই দেও। লোকটা মইরা গেল ঊনিশ দিন, হেয় থাকলে আর এমন হইত না। আমার আর দুধ বেচতে যাওন লাগত না। আমার বুড়িও আমার কাছে থাকত”।
বলার প্রয়োজন নেই, “বুড়ি” ছিল মহিলার রিজিকদাতা গাই, আর বাছুরটি “লালু”। আর আগের বাছুরটি, যেটি বিক্কিরি করে দেনা শোধ করেছেন, সেটি ছিল “জলী”। পালিতের প্রতি পালকের আর পালকের প্রতি পালিতের এই মমতা আমি জীবনে আর দেখিনি, শুনিও নি। এ এক অমোঘ ভালবাসার রূপ, যা সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসার চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়। বিষয়টি আমি যতবার ভাবি, ততবারই চোখ জলের নিয়ন্ত্রণ হারাই।
মূষরে পরা আম্মার সে বিলাপ দেখার মতো না, সে কান্না প্রকাশ করার মতো না। সন্তানের জন্য আম্মা বোধ করি কোনদিন এতটা করে কোনদিন কেঁদেছেন কিনা আমি জানিনা! কারণ গরুটা এই পরিবারটিকে যেভাবে আগলে রেখেছিল, সন্তানেরা তা কোনদিনই হয়তো করেন নি। আম্মা হৃদয়ের সকল মমতা দিয়ে যক্ষের ধনের মতো গরুটা আর তার বাছুর দুটিকে ভালবাসতেন, যা প্রকৃত অর্থে তেমনটিই ছিল, সন্তানের প্রতি আবহমান বাংলার মায়েদের চিরন্তন ব্যাকুলতা ভরা, “মায়ের মমতা”। বাংলার মায়েরদের সন্তানদের প্রতি ভালবাসার এই বিশালতার কথা মনে হলে পরম সুখে বুকটা ভরে ওঠে।


মায়ের ভালবাসার এই চিরন্তন রূপটির বিপরীতে যখনই ভাবনায় আসে সেইসব মানুষের নির্মম নৃশংসতার কথা, যারা এই সদ্য স্বামীহারা বৃদ্ধাকে তাঁর বেঁচে থাকার সর্বশেষ অবলম্বন, তাঁর মাতৃ হৃদয়ে উদ্বেলিত স্নেহের আধারকে লোভের আক্রমনে নিঃশেষ করে দিয়েছে, সেই সব “দ্বিপদ চতুস্পদী’ হায়েনাদের কথা ভেবে। নিজেকে ধিক্কার দেই আম্মার জন্য কিছু করতে না পারার জন্য। আজও প্রচন্ড দহন অনুভব করি তাঁর জন্য। ভাবি মায়ের কোল থেকে সন্তানকে টেনে নিয়ে যারা হত্যা করতে পারে তারা কীভাবে মানুষ হয়?
আমি আর একটা মাতৃস্নেহর কথা বলব। যা খুবই মিডিয়া কাভারেজ পেয়েছে। সন্তান হারানোর পরে মায়ের অবস্থান থেকে বেগম জিয়ার আকুতি! সারা বিশ্ব দেখেছে বেগম জিয়া তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’র মৃত্যুতে কিভাবে কেঁদেছেন। এ কান্না সন্তানের বিয়োগ ব্যথায় মাতৃশোকের শাশ্বত রূপ। এর মধ্যে কোনো সৌজন্যতা, লৌকিকতা কিম্বা পাছে কে কী বলল, সেটা ভাবনায় আসে না, আসার কথাও না। যারা সেগুলো নিয়ে ভাবে, তাদের মানসিক সুস্থ্যতা নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন জাগে।
আমি আরও একজন লোক জানি, যিনি তার একগুয়েমি, স্বেচ্ছাচারিতা আর ক্ষমতার লোভে তাড়িত হয়ে শতাধিক প্রাণ সংহার করেছেন। নিস্পাপ শিশু বৃদ্ধ নির্বিশেষ মানুষকে করিয়েছেন হত্যা আর অগ্নিদগ্ধ। তিনিই শত নারীকে করেছেন স্বামীহারা, সন্তানকে করেছেন পিতৃহীন, বঞ্চিত করেছেন সারা জীবনের জন্য মায়ের মমতা থেকে। মানুষের জীবন করেছেন দুর্বিসহ। আমি কোনো পার্থক্য খুঁজে পাইনা এই নিস্পাপ প্রাণসংহারী আন্দোলনের নির্দেশদাত্রী, স্বেচ্ছাবরোধবাসিনী বেগম জিয়া’র সাথে সেই সব দ্বিপদ চতুস্পদী’দের, যারা আমার ঝিনেদার আম্মার গরুটিকে হত্যা করে নিজের ক্ষুধা মিটিয়েছে। বরং বেগম জিয়াকে তাদের থেকে অনেক বেশি হিংস্র আর লোভী মনে হয়েছে।
কারণ ওই নরপিশাচ’রা একজন মাকে নিঃশেষ করেছিল, পক্ষান্তরে বেগম জিয়া বাংলার শত শত মায়ের সারাজীবনের দীর্ঘশ্বাসের কারণ হয়ে থাকবেন, সন্দেহ নেই।


কোকোর প্রতি, নিজের সন্তানের প্রতি বেগম জিয়ার যে মমত্ত্ববোধ তার লেশমাত্রও যদি দেশের জনগনের জন্য থাকত তাহলে তিনি এত নিষ্ঠুর হতে পারতেন না, এই হত্যালীলার কারণ হতে পারতেন না । আর যিনি জনগনকে মায়ের মমতা দিয়ে না ভেবে তাদের লাশের সিঁড়ি দিয়ে ক্ষমতায় মসনদে বসতে চান, তিনি যত বড় ম্যাডাম’ই হোন না কেন, বাংলার মায়েদের, সন্তানদের আর গণমানুষের আস্থাভাজন নেত্রী কোনদিনই হতে পারবেন না, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আর তাইতো বেগম জিয়াকে বলি- আগে তুমি মানুষ হও, পরে হও নেত্রী।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৮:৫৮
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×