মিয়ানমার জুড়ে এক প্রচন্ড বুড্ডিজম [ বোদ্ধ ধর্ম কেন্দ্রিক জাতীয়তাবাদী ] চেতনা মাথা চাড়া দিয়েছে। এবং তা রাষ্ট দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছে । কথিত গণতন্ত্রের নামে অন্ধ জাতীয়তাবাদের লেবাসে মূলত এখনো চলছে সামরিক যান্তার সৈরতন্ত্র । যেখানে এই মোড়কে ঢুকে গেছে অংশান সূচির বিরোধী দলও !!! ঠিক একই সময়ে ভারতে হিন্দুইজমের লালন কারী বিজেপি ক্ষমতায় ! তাহলে বাংলাদেশ .....?
হুম, আসলেই তো তবে বাংলাদেশ কোথায় ? না ....আমি বলছিনা বাংলাদেশেও ওই ধরনের একটি বিশেষ গোষ্টি দেশ চালাক । চাই এদেশের সংখ্যাগড়িষ্টের কথা বলে, তাহজিব - তামাদ্দুনের সংরক্ষন করে সর্বোপরি এদেশের সার্বভোমত্তের কথা বলে এমন একটি সরকার।
তবে তো সরকার আছেই ?
হ্যা আমিও জানি সরকার আছে । অথচ সেই সরকারের যে বিজিবির হাতে দেশের সাধারন নাগরিকেরা অহরহই নিহত হচ্ছে্, সেই বিজিবি সদস্য মিয়ানমারে নিহত পড়ে আছে আজ দু’দিন! লাশতো নয়ই, একটি পতাকা বৈঠকেরও আয়োজন করতে পারে না আমাদের নিরাপত্তা বাহনী ও সরকার !!!
কি ...আপনি কি মনে করেন এটিও কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ?
না..এটি খুব..খুব পরিকল্পিত একটি সামরিক এজেন্ডা । হুম ...সামরিক এজেন্ডা !!! এটি এমন একটা সময় ঘটলো, যখন আমাদের বৈধতার সংকটে ভোগা সরকার আর অস্তিত্বেরসংকটে ভোগা বিরোধীদল মোদীকে কে কত সুন্দর ভাবে প্রভু বানাতে ব্যাস্ত সেই সময়।
তাই মিয়ানমার ও বুঝে । ভঙ্গুর পররাষ্টব্যাবস্তার সুযোগটা কিভাবে নিতে হয়। কারণ মিয়ানমার চলছে একটি ফিরোসিয়াস...ধুন্দর....মৌলবাদি সামরিক বাহীনি দ্বারা । তারা চাইছে আমাদের এই বেগতিক অবস্তার সুযোগে আরাকান থেকে রোহিংগাদের ঢেলে দিতে ।
বাংলাদেশকে যদি এই সব অন্ধ জাতীয়তাবাদের মোকাবেলা করতেই হয়, তবে তা অবশ্যই জণগনের মেন্ডেট নেয়া, জনগণের চাহিদা-আশা-আকাংখ্যার সাথে যায়, তাদের তাহজিব - তামাদ্দুনকে বুঝে এমন একটি সরকার দ্বারাই সম্ভব। নচেৎ সে দিন দুরে নয়, যে দিন আরাকানের রোহিংগা বা আসামের বাঙ্গালীদের মত আমাদেরও অস্তিত্তের হুমকিতে পড়তে হবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



