somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

০২ রা নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৫:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের প্রায় ৭০০০ মেগাওয়াট এর মাত্র ৫০০ মেগাওয়াট আসছে ইন্ডিয়া থেকে। ইন্ডিয়া থেকে আগত লাইনটিতে কোন ফল্ট হওয়ার কারনে হটাত করে হাই ভোল্টেজ চলে আসে। নিয়ম অনুযায়ী কোন লাইনে হাই ভোল্টেজ চলে এলে বাকি অংশ ত্রুটি মুক্ত রাখার জন্য ব্রেকার ট্রিপ হয়ে যায় অর্থাত কানেশন ডিসকানেক্ট করে দেয়। ফলে যেটা হল হটাত করে ন্যাশনাল গ্রিডে ৫০০ মেগাওয়াটের ঘাটতি পড়ে গেল।

এখন লোড বেশি কিন্তু উতপাদন কম। যার ফলে জেনারটরের উপর লোড বেশি পড়ল। ফলে ফ্রিকুয়েন্সি কমতে থাকে। অন্যদিকে ফ্রিকুয়েন্সি একটা নির্দিস্ট লেভেলের নিচে নেমে গেলে ওটাও ট্রিপ হয়ে যায়। ফলে যে কয়টা পাওয়ার প্লান্ট বাকি থাকে সেগুলো লোড ডিমান্ড এবং ফ্রিকুয়েন্স ঠিক রাখতে গিয়ে ট্রিপ করে যায়। একে একে সব পাওয়ার প্লান্ট বন্ধ হয়ে যায়।

এই গুলো নিয়ন্ত্রন করে NLDC ( National Load Despatch Centre)।

নরমাল অবস্থায় এরকম ঘাটতি পড়লে লোড শেডিং দিয়ে লোড ব্যলান্স করা হয়। ফলে ব্যালান্স থাকে। কিন্তু আজকের বিষয়গুলো খুব দ্রুত ঘটায় লোড কমানোর সময়ই পাওয়া যায়নি যার ফলে সব জেনারেশন বন্ধ হয়ে যায়।

নরমাল একটা প্লান্ট বন্ধ হলে চালু করে গ্রিডে দিতে ৪-৫ ঘন্টা সময় লাগে। আর স্টিম হলে প্রায় ১০-১২ ঘন্টা লেগে যায়।
যার জন্য এই দেরি...


....আজ দুবার এমন ঘটনা ঘটে। প্রথমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে, এরপর বিকেল ৫ টায়। বিকেলে ৫০০-৭০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে আসলেই আবার কলাপ্স করে যায়।
ব্যাপারটা হচ্ছে, এটা নিছক দুর্ঘটনা। এমন দুর্ঘটনা যে কোন সময় ঘটতে পারতো। বর্তমানে পুরো কন্ট্রোল সিস্টেমই অটোমেটিক, তারপরও দায়িত্বে থাকা কিছু মানুষ হয়তো কিছুটা উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছে । তদন্ত ছাড়া বিস্তারিত কোথায় কি হয়েছে, হয়তো বলা যাবে না।
তবে, যে রকম পুর্ন সক্ষমতার সাথে ইঞ্জিনিয়াররা পুরো দেশকে দ্রুত অন্ধকারের কবল থেকে টেনে তুলতে পেরেছে, তা সত্যি প্রশংসার যোগ্য।


According to one of my university's junior
(Mechanical Engineer)
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৫:১৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×