থাইল্যান্ডে এক জঙ্গলে প্রবাসীদের গনকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে । সেখানে বাংলাদেশীদের মাথার খুলিও পাওয়া গেছে । তাদেরকে আটকে রেখে মুক্তিপন দাবি করে পাচারকারীরা অনেক দিন ধরে নির্যাতন চালায় । খাবার সরবরাহ বন্ধ করে তাদেরকে অমানবিকভাবে মৃতূর পথে ঠেলে দেয় ।
আজকে বাংলাদেশ যে স্থিতিশীল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে ; সেটার অনেকটা প্রবাসীদের পরিশ্রমের ফসল । বাংলাদেশে কৃষির পরই অর্থনীতিতে অবদান রাখছে প্রবাসীদের অর্জিত রেমিটেন্স । অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও প্রবাসের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাতে দ্বিধাবোধ করেন না ।
আবার অনেক সময় মালয়েশিয়া বা অন্যান্যদেশে পাচারকারীদের ঝঁকিপূর্ণ ফাঁদে পা দিয়ে অনিশ্চয়তার দিকে অগ্রসর হন অনেকে ।
অনেকে দালালদের খপ্পরে পড়ে তাদের সম্পদ ও অর্থের সর্বস্ব হারান । দালালদের একটি অসৎচক্র গ্রাম তথেকে শহর সব জায়গায় তৎপর আছে । গ্রামের একটি ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর জন্য মরিয়া হয়ে বাবা মা বা আত্নীয় স্বজন তাদের সব বিক্রি করে দেয় । অথচ দালালরা তাদের এ আগ্রহ ও আবেগকে পুঁজি করে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা ।
এ সমস্যা দূরীকরণের জন্য সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে । ইচ্ছে করলে এ শ্রেণীকে সহজেই শাস্তির আওতায় আনা যায় । যারা এ ধরনের প্রতারণা করছে ও প্রতারণা শিকার হচ্ছেন সবাই এ সমাজে আছে । প্রতারণাকারীরা মুক্তভাবেই ঘুরে বেড়াচ্ছে । একটু দৃঢ় পদক্ষেপ নিলেই এটি নিয়ন্ত্রেনে আনা সম্ভব ।
এর পাশা পাশি সরকার-সরকার চুক্তি ও যোগাযোগের মাধ্যমে জনশক্তি রপ্তানিতে অগ্রগতি আনতে পারে সরকার । জনশক্তি রপ্তানিকারী শ্রীলংকা ও ভারত যেটি করে থাকে । এর মাধ্যমে প্রশিক্ষনের আওতায় এনে দক্ষ জনশক্তিও রপ্তানি করা সম্ভব হতে পারে আমাদের প্রতিবেশী দেশের মতো । যার মাধ্যমে ৫২ শতাংশ অদক্ষ জনশক্তির সংখ্যা কমিয়ে সর্বনিম্ন পর্যায়েও নিয়ে আসা যাবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


