- আচ্ছা রিকশায় উঠলেই তুমি আমার পিছনে হাত রাখো কেন ?
- রাখলে তোমার সমস্যা কি ?
- আমার পিছনে হাত রাখবা, গুতাগুতি করবা তো আমার সমস্যা নাতো কার সমস্যা ?
- গুতাগুতি কই করি ?
- সুরসুরি দাও না ?
- তোমার হঠাৎ বাইন মাছের মতো লাফিয়ে ওঠা দেখতে মজা পাই
- সেদিন তোমার জন্য কিন্তু আমি মাথায় ব্যাথা পাইছি
- মাঝে মাঝে ওরকম ঠুয়া খাওয়া ভালো
- এই ঠুয়া কি ? এগুলা আমার সাথে বলবানা
- আচ্ছা বলবো না। শ্যাম্পু করছ ?
- হুম
- প্যানটিন না ? অনেক ভালো শ্যাম্পু। একটু ঘ্রাণ শুকি ?
- এই তুমি এরকম খচ্চরের মতো কর ক্যান ?
- একটু চুলের ঘ্রাণ শুকলে কি হয় ?
- তাই বলে চুলের মধ্যে নাক গলিয়ে দিবা ? দূরে সরো বলতেছি
- চুলের মধ্যেই তো গলাচ্ছি। অন্য কোথাও তো গলাচ্ছি না
- কি বললা ?
- না কিছু না
- আমি নামব। রিকশা থামাও
- আচ্ছা সরি সরি
- আর কোন উল্টাপাল্টা না
- আচ্ছা ঠিকাছে। আচ্ছা তুমি কি পারফিউম দাও ?
- কেন ?
- মাতাল করা ঘ্রাণ
- আবার ?
- আচ্ছা সরি তো
- তুমি কি মাখো ?
- কই আমি তো কিছু মাখি না
- আমি ঘ্রাণ পাই
- ও, ওইটা আফটার শেভ
- আফটার শেভ ?
- হুম, মাঝে মাঝে মাখি
- তুমি শেভ কর কবে যে আফটার শেভ মাখো ?
- আফটার শেভ দিতে বুঝি শেভ করা লাগে ?
- তাহলে ? আমি তো জানি শেভ করার পর ওইটা দেয়
- আমি এমনেই দেই
- মানে ?
- হাতে দু এক ফোঁটা নিয়ে তা মুখে, গলায় মাখি। পারফিউমের মতো কাজ হয়
- শেভ ছাড়াই ?
- হুম। ঘ্রাণটা কিন্তু ভালো। কি ভালো না ?
- এক থাপ্পর দিবো। একটা পারফিউম কিনতে পারো না ?
- একটা কিনছিলাম দুই দিনে শেষ
- দুই দিনে শেষ হয় কীভাবে ?
- মেসের সবাই বাইরে যাওয়ার আগে আমারটা দিয়ে ফুছ ফুছ করে মেরে যায়
- ক্যান ওরা জামা কাপড় ধোয় না ?
- সবাই কি আর আমার মতো পয়পরিষ্কার !
- এহ, নিজে এক জামা পরো সাতদিন
- কই দ্যাখো তো ঘামের ঘ্রাণ আসে নাকি ?
- সরো সরো খচ্চর জানি কোথাকার
- তোমার ঘামের গন্ধ তো আমার কাছে ভালোই লাগে
- তুমি যে একটা খচ্চর, খবিশ তাই
- এগুলা বুঝি খুব ভালো কথা !
- তোমাকে ময়লার গাড়ির মধ্যে চুবিয়ে রাখা উচিত
- আচ্ছা চিন্তা কর তো, ময়লার গাড়ির মধ্যে একটা চামচ ঢুকিয়ে তা থেকে ঝোল উঠিয়ে যদি কারও মুখের ভিতর ঢুকিয়ে দেয়া যায় কেমন হবে ব্যাপারটা ?
- এই রিকশা থামান
- এই এই অহনা ? দাঁড়াও দাঁড়াও। আমার কাছে ভাড়া নাই তো......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



