
একটা ভালো কাজ করতে গেলে দশবার নেগেটিভ চিন্তা মাথায় আসে। রাত দুটোর দিকে ফুটপাথে যেতে ভয় পাই। ডাকাত বা ছিনতাইকারীর কোন ভয়ে নাহ। পুলিশের ভয়ে। দেশটা কোথায় যাচ্ছেরে ভাই??? যেই ছেলেমেয়েরা নিজেদের টাকায়, নিজেদের কষ্টে, নিজেরদের শ্রমে, নিজেদের হাতে অনাথ, দুস্থ, পথশিশুদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছে, মুখে এক চিলতে হাসি ফুটিয়েছে আজ তাদেরকেই কিনা বলা হচ্ছে শিশু পাচারকারী। হোয়াট দা হেল ইজ গোয়িং!!! অনেস্টলি স্পিকিং পুলিশের প্রতি নুন্যতম যে শ্রদ্ধাবোধটুকুও ছিল সেটিও আজ নিংড়ে উঠে গেছে। যারা দিনরাত পরিশ্রম করে, রাত দিন এক করে, পকেটের টাকা বাঁচিয়ে এই নোংরা সমাজের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছে আজ তাদেরকেই কিনা মানব পাচারকারীর সার্টিফিকেট ধরিয়ে দেয়া হল!
আরিয়ান আরিফ, হাসিবুল হাসান সবুজ, ফিরোজ আলম খান শুভ ও জাকিয়া সুলতানা । এদের তক্তাবধানেই চলতো Odommo Bangladesh Foundation, মজার স্কুল : পথশিশু আর আমরা কতিপয়সহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠান। আজ নিবেদিত এই স্বেচ্ছাসেবকদের কপালে সিল মারা হচ্ছে পুলিশি প্রতিষ্ঠানে।
খুব ইচ্ছা ছিল এরকম কোন এক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো একদিন। ইচ্ছাগুলো এদেশের জন্য না। স্বপ্নগুলো এ সমাজের অংশ না।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



