প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”
বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য মন্ত্রণালয় আছে, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আছে। এখন বুঝলাম, ব্লগ অঙ্গনেও সম্ভবত বালছাল মন্ত্রণালয় আছে - আর তার অনানুষ্ঠানিক মন্ত্রী স্বয়ং রাজীব নূর!
আমি নাকি বালছাল লিখি। কথাটা শুনে প্রথমে মন খারাপ হয়েছিল। পরে ভাবলাম, লোকটা অন্তত আমার লেখাকে বিনোদন হিসেবে স্বীকার করেছেন। অর্থাৎ আমি লিখি, তিনি পড়েন, তারপর মন্তব্য করেন। সম্পর্কটা অনেকটা সিনেমার মতো - নীল ছবির নায়ক আমি, দর্শক তিনি, আর টিকিটের দাম হলো ধৈর্য!
তবে রাজীব ভাইকে একটা প্রশ্ন করি - আমি যদি বালছাল লিখি, তাহলে আপনি এত মনোযোগ দিয়ে পড়েন কেন?
বালছাল যদি বিনোদন হয়, তাহলে আপনি তো তার নিয়মিত দর্শক!
এমনকি পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, কোনো একদিন সামুতে পোস্ট আসবে -
“রাজীব নূরের উদ্যোগে বালছাল পাঠোৎসব - প্রধান অতিথি: সত্যপথিক শাইয়্যান।”
সেখানে রাজীব ভাই মঞ্চে উঠে বলবেন,
“শাইয়্যান সাহেব, আপনার লেখা চালাইয়া যান। জাতি বিনোদিত হচ্ছে।”
আমি তখন মাইক হাতে বলব,
“ধন্যবাদ। তবে মন্ত্রী মহোদয়, আপনার মন্তব্য ছাড়া আমার বালছাল অসম্পূর্ণ!”
কারণ ব্লগে কিছু লেখা পড়ে মানুষ জ্ঞানী হয়, কিছু লেখা পড়ে হাসে - আর কিছু মন্তব্য পড়ে বোঝা যায়, বিনোদনের আসল উৎস পোস্ট নয়, কমেন্ট বক্স!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


