র্কমসংস্থান সৃষ্টি হয়ছে,ে আরও সুযোগ আছ।ে যহেতেু পোশাকশল্পিরে ক্রতোদরে বরিাট অংশই দশেরে বাইররে, তাই তাদরে সঙ্গে দশেরে উৎপাদনকারীদরে সংযোগ ঘটাতে এ খাতে ভন্নি ধরনরে একটি পশোর উদ্ভব হয়ছে।ে র্বতমানে কোন পশোর জনপ্রয়িতা কথা বলা হচ্ছ।েদনি দনি জনপ্রয়ি হয়ে ওঠা এ পশোর নাম র্মাচন্ডোইজংি। প্রতনিয়িত তরুণ প্রজন্মরে একটা অংশ আসছে এ পশোয়। র্মাচন্ডোইজংি খাতে ব্যাপক চাহদিা থাকায় সরকার-িবসেরকারি ভাবে এ বষিয়ে প্রশক্ষিণ ও পড়ালখোর সুযোগও সৃষ্টি হয়ছে।ে এ বষিয়ে র্সাটফিকিটে র্কোস ইন অ্যাপরলে র্মাচন্ডোইজংি নামে একটি প্রশক্ষিণ দচ্ছিে এ্যাপারল্ েইন্সাটটউিট অব ফ্যাশন্ এন্ড টকেনোলজ,ি বাংলাদশে কারগিরি শক্ষিা র্বোড এরঅধীনে পরচিালতি এ প্রতষ্ঠিানটি ইতমিধ্যে এ বষিয়ে তাদরে তনিটি ব্যাচরে প্রশক্ষিণ সম্পন্ন করছে।ে শঘ্রিই শুরু হচ্ছে পরর্বতী ব্যাচরে র্কাযক্রম।
মার্চেন্ডাইজিং কী?
দেশে প্রচলিত অর্থে মার্চেন্ডাইজিং বলতে পোশাকশিল্পের মার্চেন্ডাইজিংকেই বোঝায়।কিন্তু পোশাকশিল্প ছাড়াও চামড়া,্এক্রসরিরজ,ফ্যাবরিক হিমায়িত খ্যাদ্যসহ নানা শিল্পে মার্চেন্ডাইজিংয়ে কাজ করা সুযোগ রয়েছে। যিনি মার্চেন্ডাইজিংয়ের কাজ করেন তাঁকে বলা হয় মার্চেন্ডাইজার। মার্চেন্ডাইজারের কাজের বিষয় জানতে চাইলে
ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি ফ্যাশন ডিজাইন বিভাগের ইঞ্জি: আফসানা জাহান মিম জানান, মার্চেন্ডাইজার পণ্য উৎপাদনকারী ও ক্রেতার মধ্যে তৃতীয় পক্ষ হিসাবে কাজ করেন। একজন মার্চেন্ডাইজারকে মূলত পণ্যের কারিগরি ও ব্যবসায়িক দুটো দিকই দেখতে হয়। যেমন, পোশাকশিল্পে পণ্য
ক্রয়ের প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে ক্রয়, ক্রেতার পছন্দের মান অনুযায়ী স্থানীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে পণ্যের পরীক্ষা করানো ইত্যাদি কাজ করতে হয়। তিনি আরও বলেন, ক্রেতা যে টাকা প্রদান করেন তা দিয়ে পণ্য উৎপাদন করিয়ে তাঁর হাতে পৌছানোর দায়িত্বও মার্চেন্ডাইজারের। এর মধ্যেশ্রমিকের মজুরি, উৎপাদন খরচ ও উৎপাদনকারীর লাভ ইত্যাদি বিবেচনা করে কাজ করতে হয়। এক কথায় কোনো পণ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে তা ক্রেতার হাতে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত মার্চেন্ডাইজারকে একজন সমম্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করতে হয়। এম .জি টেক্্রটাইলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক “মোঃ আরিফুল ইসলাম” বলেন, পোশাকশিল্পে তুলা থেকে তন্ত, আবার তন্ত থেকে ফেব্রিক্সস,ফেব্রিক্সস থেকে পোশাক তৈরির পুরো প্রক্রিয়ায় একজন মার্চেন্ডাইজার সহায়তা করেন। দেশের পোশাকশিল্প অনেকটা রপ্তানিনির্ভর হওয়ায় বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগকরা, নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য পৌঁছানো,
পণ্য পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক কাগজ পত্র তৈরি, পন্য আকাশ বা জল পথে যাবে ইত্যাদি কাজও করতে হয়।
চাহিদা যেমন ঃ
দেশে পোশকশিল্পেসহ প্রচুর রপ্তানিমূখী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় দিন দিন এ খাতে কাজের সুযোগ বাড়ছে। মার্চেন্ডাইজিংয়ে কাজের চাহিদা সম্পর্কে মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, দেশের পোশাকশিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মার্চেন্ডাইজিংয়ে কাজের অনেক সুযোগ তৈরি হচ্ছে। পোশাকশিল্পে রপ্তানীমূখীতা যত দিন থাকবে, এই খাতে কাজের চাহিদা আরও বাড়বে। তিনি আরও জানান, প্রতিটি পোশকশিল্প প্রতিষ্ঠান বর্তমানে মার্চেন্ডাইজিং বিভাগের প্রতি নজর দিচ্ছে। কারণ পোশাকশিল্প
সহ অন্যান্য রপ্তানীমূখী শিল্পে মার্চেন্ডাইজাররা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন।
যা শেখানো হয়-
দেশে যেহেতু পোশাকশিল্পে মার্চেন্ডাইজিং পেশা বেশ প্রতিষ্ঠিত তাই এ খাতের প্রতিটি বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসবের মধ্যে তুলা থেকে সূতা, সূতা থেকে তন্ত-পোশাক বানানোরপদ্ধতিসহ পোশাকশিল্পের মৌলিক সব বিষয় রয়েছে। পাশাপাশি পোশাক শিল্পের সব নিয়ম-কানুনও শেখানো হয়।
আয়-রোজগার-
সাধারণত ১০-১৫ হাজার টাকায় মার্চেন্ডাইজারের বেতন শুরু হয়। শুরুতে একজন মার্চেন্ডইজার
বেতন বেশি না পেলেও যোগ্যতা ও দক্ষতার মাধ্যমে পরবর্তী সময় বেশ ভালো বেতন লাভ করেন।
একসময় এ বেতন দুই-তিন লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে চাইলে ন্যূনতম উচ্চমাধমিক উত্তীর্ণরা (এ.আই.এফ.টি) থেকে মার্চেন্ডাইজিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ,বাড়ি#২৭,রোড#০৫ সেক্টর#০৭,উওরা,ঢাকা
মোবাইল:০১৭৭২১২৫০১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


