"আমরা মতায় এলে দুর্নীতির আরো মহাচোরদের ধরব, এ সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেবো।" (দৈনিক আমাদের সময়)
"আওয়ামী লীগ ৰমতায় গেলে এ সরকারের সকল কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেয়া হবে।" (দৈনিক ইত্তেফাক)
"আমরা ৰমতায় গেলে এ সরকারের সব কিছুর বৈধতা দেয়া হবে।" (দৈনিক মানবজমিন)
"আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ৰমতায় গেলে বর্তমান তত্ত্বধায়ক সরকারের সব কাজের আইনি অনুমোদন দিবেন।" (দৈনিক প্রথম আলো)
"আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার দল মতায় গেলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সব কাজের বৈধতা দেবে।" (দৈনিক যুগানত্দর)
"বর্তমান কেয়ারটেকার সরকারের সব কর্মকান্ডের বৈধতা দেয়ার প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি আরো বলেন, নিজেদের কর্মকান্ডর বৈধতা নিয়ে কেয়ারটেকার সরকারের দুশ্চিনত্দার কোনো কারণ নেই। আমরা তাদের কর্মকান্ড রেটিফাই করে দেবো।" (দৈনিক যাযযাযদিন)
অনেক গুলি পত্রিকা থেকে উদ্ধৃত করলাম এ কারনে যে খবরটি খুবই গুরম্নত্বপূর্ণ।
শেখ হাসিনার বক্তব্য বিশেস্নষণ করলে দেখা যায়--
1। বর্তমান সরকার অবৈধ।
2। যেহেতু সরকার অবৈধ, তাই সব কাজ অবৈধ।
3। ভবিষ্যতে অবৈধ কাজের রেটিফিকেশান বা অনুমোদেনের প্রযোজন হবে।
4। ভবিষ্যতে এই রেটিফিকেশনের কাজটি করবে শেখ হাসিনার সরকার।
বর্তমান সরকারের কাজকে অবৈধ বলার কারণ কি?
কারণ-1। সরকারকে ভয় দেখান।
কারণ-2। সরকারকে বেস্নকমেইল করা।
কারণ-3। সরকারের সাথে একটা সমঝতায় পৌছা।
সরকারের সাথে শেখ হাসিনা কি সমঝতায় পৌছতে চায়?
(ক) দূর্নিতির মামলায় যেন শেখ হাসিনাকে হয়রানি না করা হয়।
(খ) আওয়মী লীগের নেতা কর্মিদেরকে রৰা করা।
(গ) বিএনপিকে সাংগঠনিক ভাবে ধ্বংশ করা।
(ঘ) আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিক ভাবে টিকিয়ে রাখা।
(ঙ) আগামী নির্বাচনে জয় লাভ করা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



