বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে সকল জাতীয় মুক্তির সংগ্রাম সংঘটিত হয়েছে তাদের কোনো একটিতেও দেখা যায় না যে, জাতীয় নেতা তাঁর প্রতিপক্ষের নিকট আত্মসমর্পণ করেছেন।
শুধু তাই নয়, শেখ মুজিবের আত্মসমর্পণের পরে পাকিস্তান সরকার তাঁর পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব গ্রহণ করে। যুদ্ধ চলাকালিন লাখো শহীদের রক্তের পবিত্র ধারা যখন প্রবাহিত হয়েছে তখন শেখ মুজিব যেমন নিরাপদ ও সুস্থ ছিলেন তার পরিবারের সকলেই নিরাপদ ও সুস্থ ছিলেন। এটা অবশ্যই আল্লাহর রহমত।
ইতিহাসে দেখা যায়, লেনিনের ভাইকে লেনিনের অপরাধে ফাঁসিতে লটকানো হয়েছিল। মাও জে তুং এর স্ত্রীকে তার প্রতিপক্ষরা হত্যা করে।
পাকিস্তানের জেল থেকে বেড়িযে, লন্ডনের হিথরো এয়ারপোর্টে শেখ মুজিবের প্রথম প্রশ্ন ছিলো, "সত্যই তোরা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিস?"
প্রফেসর স্ট্যনিল উল পার্ট 'জুলফি ভুট্টো অব পাকিস্তান' বই এ লিখেছেন, "শেখ মুজিব পাকিস্তানকে একটা কনফেডারেল স্টেট হিসেবে টিকিয়ে রাখার কথা বিবেচনা করবেন।" দেশে ফিরে এসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শেখ মুজিব অবশ্য বলেছিলেন, "ভুট্টো সাহেব, তুমি সুখে থাকো। আমার দেশ এখন আলাদা হয়ে গেছে। তাই তোমার সাথে আর কোনো বন্ধনের দরকার নেই।"
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


