somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

গৃহযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র পুনর্গঠন -- প্রথম পর্ব

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পুনর্গঠনের সময় কালকে দুই অর্থে বিবেচনা করা হয়: প্রথম অর্থে ১৮৬৫ থেকে ১৮৭৭ সাল পর্যন্ত গৃহযুদ্ধের (১৮৬১ থেকে ১৮৬৫) পর সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রের পুনর্গঠন; দ্বিতীয় অর্থে ১৮৬৩ থেকে ১৮৭৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির পুনর্গঠন।

পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার সময় গৃহযুদ্ধের স্মৃতিকে তিনটি ভিন্নভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হয়: প্রথমতঃ পুনর্মিলন মূলক দৃষ্টিভঙ্গি অর্থাৎ যুদ্ধের সময় মৃত্যু ও সম্পদ হানির ঘটনাকে মেনে নেয়া; দ্বিতীয়তঃ সাদা আধিপত্যবাদী (white supremacist) দৃষ্টিভঙ্গি, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল সন্ত্রাস ও সহিংসতা; এবং তৃতীয়তঃ দাসত্ব-মোচনের পক্ষাবলম্বী দৃষ্টিভঙ্গি, যার উদ্দেশ্য ছিল আফ্রিকান-আমেরিকানদের পূর্ণ স্বাধীনতা, নাগরিকত্ব এবং সাংবিধানিক সমঅধিকার।

১৮৬৩ থেকে ১৮৬৫ সল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন এবং প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জনসন উভয়ই একটা মধ্যপন্থা নীতি অবলম্বন করেন যাতে দক্ষিণের রাজ্যগুলি যত দ্রুত সম্ভব যুক্তরাষ্ট্রে আবার ফিরে আসে। কিন্তু প্রগতিশীল রিপাবলিকানরা সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীতে আফ্রিকান আমেরিকানদের আরো বেশী অধিকারের বিধান রাখার জন্য কংগ্রেসে দাবি জানাতে থাকে। প্রেসিডেন্ট জনসন সাবেক কনফেডারেটদের প্রতি উদার নীতি গ্রহণ করেন। প্রেসিডেন্ট লিংকন তার শেষ ভাষণে সব মুক্ত মানুষের ভোটাধিকারের পক্ষে তার অভিমত দেন। কিন্তু জনসন এই মতের বিরোধিতা করেন।

প্রেসিডেন্ট জনসন প্রতিটি সাবেক কনফেডারেট রাজ্যে একজন করে প্রাদেশিক গভর্নর নিয়োগ করেন এবং প্রতিটি রাজ্যে নতুন করে সংবিধান প্রণয়নের জন্য নির্বাচিত সাংবিধানিক পরিষদ গঠন করা হয়। যেহেতু দক্ষিণের রাজ্যগুলিকে দাসপ্রথা বাতিল করতে জোর করে বাধ্য করা হয়ে ছিল, তাই তারা কালোদের অধিকারকে মেনে নিতে পারেনি। দক্ষিণের রাজ্যগুলি কালোদের অধিকারকে খর্ব করে কিছু কাল আইন (black codes) প্রণয়ন করে, যেমন কালোদের কোনো ভোটাধিকার থাকবে না, কালোরা জুড়ি হিসাবে বিচার কাজ করতে পারবে না ইত্যাদি। এককথায় সাবেক দাসরা তাদের সমান এই কথা সাদারা কিছুতেই মানতে পারছিলো না।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:১৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×