অনুচ্ছেদ ১
ধারা ৯।
দফা ৫। রাজ্য থেকে রফতানিকৃত পণ্যের উপর কোনো কর বা শুল্ক আরোপ করা যাবে না।
ভাষ্য
এই বিধানের ফলে আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কোনো কর বা শুল্ক আরোপ করা যাবে না। অর্থাৎ এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বিনা শুল্কে পণ্য আমদানি রফতানি করা যাবে। এই বিধানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হলো, দক্ষিণের রাজ্যগুলির অর্থনীতি উত্তরের রাজ্যগুলিতে তুলা, তামাক, চাল এবং নীল রফতানির উপর নির্ভরশীল ছিল। দক্ষিণের রাজ্যগুলির দাবির প্রেক্ষিতে সংবিধানে এই দফা সংযোজন করা হয়।
দফা ৬।কোনো বাণিজ্য বা রাজস্ব প্রবিধান দ্বারা কোনো রাজ্যের বন্দরকে অপর রাজ্যের বন্দর থেকে অগ্রাধিকার প্রদান করা যাবে না; কোনো জাহাজ কোনো রাজ্যের প্রবেশ করতে বা ত্যাগ করতে, পণ্য খালাস করতে বা শুল্ক দিতে বাধ্য করা যাবে না।
ভাষ্য
সংবিধানের এই বিধানের দ্বারা ফেডারেল গভর্নমেন্ট বা কেন্দ্রীয় সরকারকে সব রাজ্যের প্রতি সমান আচরণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এক রাজ্যের বন্দর থেকে অপর রাজ্যের বন্দরে মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে কোনো বাঁধ প্রদান করা যাবে না বা কোন শুল্ক আরোপ করা যাবে না। অথবা কোনো রাজ্যের কোনো বন্দরকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা যাবে না।
দফা ৭। আইনের দ্বারা অনুমোদন ছাড়া কোষাগার থেকে কোনো টাকা নেয়া যাবে না; জনগণের অর্থের আয় এবং ব্যায়ের হিসাবের সাধারণ বিবরণী সময়ে সময়ে প্রকাশ করতে হবে।
ভাষ্য
জনগণের টাকার আয় ও ব্যায়ের হিসাব কংগ্রেস সংরক্ষণ করবে। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া জনগণের টাকা কেউই খরচ করতে পারবে না। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট সরকারের কোনো টাকা খরচ করতে পারবে না। এটা শাসনবিভাগের সাথে আইনবিভাগের একধরণের ক্ষমতার ভারসাম্য।
দফা ৮। যুক্তরাষ্ট্র কোনো আভিজাত্যের উপাধি প্রদান করতে পারবে না: এবং কোনো ব্যক্তি যিনি সরকারের লাভজনক বা ট্রাস্ট পদ গ্রহণকরে আছেন, তিনি কংগ্রেসের সম্মতি ছাড়া কোনো রাজা, যুবরাজ বা বিদেশী রাষ্ট্র থেকে কোনো প্রকার উপহার, সুবিধা, পদ, বা পদবী গ্রহণ করতে পারবেন না।
ভাষ্য
যুক্তরাষ্ট্রে যাতে ব্রিটেনের মত অভিজাত শাসক শ্রেণী গড়ে উঠতে না পারে এর জন্য এই বিধান করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধান প্রণেতারা যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটেনের মতো কাউন্টস, ডিউকস বা আর্লস ইত্যাদি উপাধি প্রদান করে অভিজাত শ্রেণী সৃষ্টি করার বিরোধী। তা ছাড়া প্রশাসনকে দুর্নীতি মুক্ত রাখার জন্য বিদেশী রাষ্ট্র থেকে কোনো প্রকার উপহার, সুবিধা, পদ, বা পদবী গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের অনুমোদনের বিধান রাখা হয়েছে। কোনো সরকারি ব্যক্তি কোনো বিদেশী রাষ্ট্র থেকে কোনো কিছু গ্রহণ করলে কংগ্রেস যেন জানতে পারে তার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের বিধান রাখা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




