
চার কুড়ি এবং সাত বছর আগে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষরা স্বাধীনতার চেতনা এবং সব মানুষকে সমান করে সৃষ্টি করা হয়েছে এই কথা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করে এই মহাদেশে একটা নতুন জাতির জন্ম দিয়েছিলেন।

এখন আমরা একটা গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়ে এই পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছি, এই জাতি অথবা যে জাতি এই ধরণের চেতনায় বিশ্বাস করে এবং নিজেদেরকে উৎসর্গ করে, তারা দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারবে কি না।

যুদ্ধের একটা গুরুত্বপূর্ণ ময়দানে আজ আমরা সমবেত হয়েছি। এই ময়দানের একটা অংশকে আমরা সমাধি ক্ষেত্র হিসাবে উৎসর্গ করবো তাদের জন্য, যারা এই জাতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাদের জীবন ত্যাগ করেছে।

আমাদের এই কাজ করা উচিত, কারণ এটা সম্পূর্ণরূপে উপযুক্ত এবং সঠিক কাজ। আবার বৃহত্তর অর্থে আমরা এই ভূমিকে উৎসর্গ করতে পারিনা, পবিত্র করতে পারি না -- সম্মানিতও করতে পারি না। জীবিত এবং মৃত এই সাহসী মানুষেরা, যারা এখানে যুদ্ধ করেছেন, তারাই ইতিমধ্যেই এই ভূমিকে পবিত্র করেছেন, যা আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষমতা দিয়ে বাড়ানো এবং কমানোর অনেক উপরে।

আমরা আজ এখানে কি বললাম, তা পৃথিবীর নজরে কমই আসবে, অথবা কমই মনে রাখবে, কিন্তু তারা এখানে যা করেছে তা কোনদিন ভুলা যাবে না।

এখানে কোন কিছু উৎসর্গ করার চেয়ে তারা যে কারণে এখানে যুদ্ধ করেছে, এই অসমাপ্ত কাজটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের জীবনের লক্ষ্য। আমাদের সামনে যে মহান কাজ পরে আছে তাতে আত্মনিয়োগ করাই আমাদের আসল উৎসর্গ -- যে কাজের জন্য তারা এই সম্মানজনক মৃত্যুবরণ করেছে -- তারা যে কারণে তাদের সর্বোচ্চ নিষ্ঠা দেখিয়েছে আমাদেরও উচিত আমাদের নিষ্ঠা আরো বাড়ানো যাতে আমরা আরো দৃঢ় সংকল্প করতে পারি যে তাদের মৃত্যু বৃথা যাবে না -- ঈশ্বরের দয়ায় এই জাতির মুক্তির নব জন্ম হবে এবং জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য পরিচালিত হবে যাতে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে না যায়। (লেখক কর্তৃক অনূদিত)
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



