ব্রিটিশ আমলে প্রণীত ফৌজদারি আইন বাতিল করার জন্য ইন্ডিয়ান সরকার শুক্রবার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ অর্থাৎ লোকসভায় তিনটি বিল উত্থাপন করেছে। বিলগুলির উদ্দেশ্য হল ব্রিটিশ আমলে প্রণীত ফৌজদারি আইন বাতিল এবং নতুন আইন প্রতিস্থাপন করা । গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলির মধ্যে আছে বিতর্কিত রাষ্ট্রদ্রোহ আইন সংশোধন করা এবং নারী ও নাবালকদের সুরক্ষা দেয় এমন আইনগুলিকে শক্তিশালী করা।
লোকসভার বর্তমান অধিবেশনের শেষ দিনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইন্ডিয়ান পেনাল কোড অর্থাৎ দণ্ডবিধি, ফৌজদারি কার্যবিধি এবং সাক্ষ্য আইন বাতিল এবং প্রতিস্থাপনের বিল পেশ করেন। এই সবগুলি আইন ইন্ডিয়ার স্বাধীনতার আগে ব্রিটিশদের দ্বারা প্রণয়ন করা হয়েছিল। পরাধীনতার সময় বিদেশী শাসকদের দ্বারা প্রণীত আইন যে একটা স্বাধীন দেশে প্রযোজ্য নয় এটা বুঝতে ইন্ডিয়ার মাত্র ৭৬ বছর সময় লেগেছে। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ এতদিন এটা না বুঝলেও, এখন ইন্ডিয়াকে অনুসরণ করে এই আইনগুলি, যা পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত আছে তা, বাতিল এবং সংশোধনের উদ্যোগ নিবে -- এটা নিশ্চিত।
উপনিবেশ আমলে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ থাকে শাস্তি দেয়া। কিন্তু একটা স্বাধীন দেশের আইন প্রণয়ের উদ্দেশ্য হতে হয় ন্যায়বিচার প্ৰতিষ্ঠা করা। ইন্ডিয়ান উপমহাদেশের মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০২৩ সকাল ৮:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



